প্রদেশ কংগ্রেসকে আব্বাসের দলের সঙ্গে জোটে-জট কাটাতে নির্দেশ সনিয়ার

প্রদেশ কংগ্রেসকে আব্বাসের দলের সঙ্গে জোটে-জট কাটাতে নির্দেশ সনিয়ার

  একুশের ভোটের লড়াই জমে উঠেছে। ভোট ময়দানে কোনও পক্ষই কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তেও নারাজ। লড়াই এবার সেয়ানে-সেয়ানে। এমনই বলছেন নির্বাচনী বিশ্লেষকদের একাংশ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে জোট বেঁধঝে লড়ছে বাম ও কংগ্রেস। যৌথ কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যজুড়ে নির্বাচনী প্রচারে ঝড় তুলছে দুই দল।

বাম ও কংগ্রেসের মধ্যে জোটে কোনও তিক্ততা নেই। তবে সমস্যা আব্বাসের দলকে নিয়ে।আব্বাসের দল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের সঙ্গে জোট চূড়ান্ত করতে শেষমেশ আসরে নামল এআইসিসি। এ বিষয়ে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধী খোঁজখবর করেছেন বলে সূত্রের খবর। টেলিফোনে তাঁর সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেসের কথাবার্তার পর এআইসিসি বিষয়টি সমাধানে উদ্যোগী হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

 জোট প্রক্রিয়া গতি না পাওয়ায়মঙ্গলবার দুপুরে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আইএসএফ নেতাআব্বাস সিদ্দিকি। হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘‘প্রয়োজনে একাই লড়ব বিধানসভা ভোটে।’’ বাম-কংগ্রেস নেতৃত্বের গড়িমসির কারণে জোট প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হয়েছে ইঙ্গিত দিয়ে আব্বাস তাঁর ক্ষোভ গোপন করেননি। যদিও, সোমবার রাতেই জোট প্রক্রিয়ার বিষয়ে জানতে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধী ফোন করেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্যকে। জানতে চান, জোটের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে।

প্রদীপবাবু দলনেত্রীকে জোটের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে অবগত করেন। সূত্রের খবর, সনিয়া জোটের বর্তমান পরিস্থিতি জানার পরেইএআইসিসি নেতৃত্বএবিষয়ে উদ্যোগী হয়। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের জোটের বিষয়ে এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপালকে হস্তক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। বর্তমানে এআইসিসি নেতা জিতিন প্রসাদ বাংলার সংগঠনের দায়িত্বে। সূত্রের খবর, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ও জিতিনের সঙ্গে কথা বলেই জোটের বিষয়ে পদক্ষেপ করতে পারেন তিনি।