ফ্রিজকে পরিস্কার পরিছন্ন রাখতে রইল বিশেষ টিপস

ফ্রিজকে পরিস্কার পরিছন্ন রাখতে রইল বিশেষ টিপস

আজবাংলা  বাড়িতে রেফ্রিজারেইটর থাকা মানেই রান্নার চাপ মুক্ত। প্রতিদিন বাজার করারও দরকার পড়ে না। শাকসবজি, মাছ-মাংস ইত্যাদি খাবার সংরক্ষণ করা হয় বলে রেফ্রিজারেইটর ময়লা হওয়া এবং এর মধ্যে বিভিন্ন খাবার সংরক্ষণের কারণে গন্ধ হওয়াও খুব স্বাভাবিক।যেহেতু রেফ্রিজারেইটরে আমরা খাবার সংরক্ষণ করি তাই এর যথাযথ ব্যবহার ও যত্ন করা দরকার। রেফ্রিজারেইটরের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে বিশেষ কিছু বিষয়ে লক্ষ রাখার কথা বলা হয়েছে।

১. বার বার রেফ্রিজারেটইরের দরজা খোলা উচিত না। তাছাড়া বেশি সময়ের জন্য দরজা খুলে রাখলেও ক্ষতি হতে পারে। ২. বিভিন্ন কারণে এতে গন্ধ সৃষ্টি হতে পারে, এই গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য পুরান খবরের কাগজ ভাঁজ করে ফ্রিজের এক কোণায় রেখে দিলেও উপকার পাওয়া যাবে।

৩. তাছাড়া রেফ্রিজারেটরের ভেতরে খাবার রাখার সময় দুটি পাত্রের মধ্যে অন্তত তিন থেকে চার সে.মি. জায়গা ফাঁকা রাখতে হবে, যাতে ঠান্ড হাওয়া সহজেই চলাচল করে সব খাবার সমান ঠান্ডায় রাখতে পারে।

৪. ভোল্টেজ ওঠানামা করলে রেফ্রিজারেইটর নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করা উচিত। ৫. গরম খাবার রেফিজারেটইরে রাখা ঠিক না। ৬. বক্সে করে এবং ঢাকনা আটকিয়ে খাবার রেফ্রিজারেইটরে সংরক্ষণ করা উচিত।

রেফ্রিজারেইটর পরিষ্কার করার বিষয়ে কিছু টিপস রইল-   ১. পরিষ্কারের জন্য ডিটারজেন্ট ও বিভিন্ন ধরনের তরল সাবান  ব্যবহার করা যেতে পারে। ২. রেফ্রিজারেইটরের দরজার রাবারের অংশটি শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হবে। ৩. - কোন রকম খসখসে জিনিস যেমন- স্ক্রাবার, ধাতব বস্তু ও শক্ত ব্রাশ দিয়ে রেফ্রিজারেটর ঘষা বা পরিষ্কার করার ঠিক নয়।

৪. বরফের কেইস, ডিমের কেইস, ট্রে, বক্স ইত্যাদি অংশগুলো ডিটারজেন্ট বা ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে এবং অবশ্যই তা ভালোভাবে মুছে রাখতে হবে। ৫. পরিষ্কারের দু’তিন ঘণ্টা আগে অবশ্যই ফ্রিজের বিদ্যুত সংযোগ বন্ধ করে দিতে হবে। এতে কোন দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকবে না, তাছাড়া যে সমস্ত ফ্রিজে বরফ জমে, সে সব ফ্রিজের বরফ পরিষ্কার করাও সহজ হবে।