কুঁজোর চিৎ হয়ে শোয়ার ইচ্ছে, গোয়া নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

কুঁজোর চিৎ হয়ে শোয়ার ইচ্ছে, গোয়া নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

গোয়াতে তাঁর দলের ৪ নেতাকে মিটিং করতে দেওয়া হয়নি। সোমবার এমনই অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। তাঁর কথায়, “বিজেপি (BJP) শাসিত রাজ্যগুলিতে তৃণমূলকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। অসম, ত্রিপুরা, উত্তরাখণ্ড সব জায়গায় আমাদের আটকানো হচ্ছে। গোয়াতেও এদিন আমাদের আটকানো হয়েছে।” আর তৃণমূল সুপ্রিমোর এহেন অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাল্টা কটাক্ষ ছুড়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

বলেন, ‘কুঁজোর চিৎ হয়ে শোয়ার ইচ্ছা হয়’। করোনা পরিস্থিতিতে খোলা হচ্ছে স্কুল-কলেজ। এবারে রাজ্য সরকারের সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে সোমবার গোসাবার রাধানগর-তারানগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নির্বাচনী প্রচারে এসে টিভি নাইনের মুখোমুখি হয়ে স্কুল খোলার বিষয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তার পর মুখ্যমন্ত্রীর গোয়া মন্তব্য প্রসঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, “ত্রিপুরা ও গোয়ায় নোটার থেকে কম ভোট পাবে (তৃণমূল)। কুঁজোর যদি চিৎ হয়ে শোয়ার ইচ্ছা হয়, আর গরুর গাড়িতে যদি হেডলাইট লাগাতে হয়, সেদিন তৃণমূল কংগ্রেস ত্রিপুরায় খাতা খুলবে।

সামনে পুর নির্বাচন। তৃণমূলকে চ্য়ালেঞ্জ করছি ত্রিপুরায় সব আসনে প্রার্থী দিয়ে দেখাক। আগামী ২৫ নভেম্বর ত্রিপুরায় পুর নির্বাচন তো। চ্যালেঞ্জ করছি,  তিনি আরও যোগ করেন, “আমি ওই দলটা করেছি। আমি অসমে চার্জে ছিলাম। ওই দলটায় কিচ্ছু নেই। এখানে তথাকথিত দুধেল গাই, শওকত মোল্লা, সাজাহান আর পুলিশ এই দুটো সরে গলেই জ়িরো।” তার পর উপস্থিত জনতার উদ্দেশে আঙুল দেখিয়ে শুভেন্দু বলেন, “দেখেছেন, এত বাধা সত্ত্বেও এক হাজার লোক এসেছে।” উল্লেখ্য এদিন মমতা হুঁশিয়ারি দেন, “বিজেপিকে বলব, ওসব ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।

আমরা লড়াই করতে জানি। আমরা রাস্তায়, চায়ের দোকানে বসে মিটিং করব। প্রতিটি চায়ের দোকানে তৃণমূলের কর্মীরা ছড়িয়ে পড়বে। আমাদের দল রাস্তা থেকেই উঠে এসেছে। তাই অনুমতি দেওয়া হোক আর না হোক, তাতে আমাদের কিছু এসে যায় না।” আগামী বৃহস্পতিবার অর্থাৎ,  ২৮ অক্টোবর গোয়া সফরে যাওয়ার কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। গত শনিবার তিনি নিজেই সে কথা টুইটারে লিখে জানিয়েছেন।

লেখেন, “আগামী ২৮ অক্টোবরের প্রথম বার গোয়া সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছি। সব ব্যক্তি, সংগঠন এবং রাজনৈতিক দলের কাছে বিজেপি এবং তাদের বিভাজনের নীতিকে পরাস্ত করার জন্য একজোট হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। গত ১০ বছরে গোয়ার আমজনতাকে অনেক দুর্ভোগ সইতে হয়েছে।” এদিকে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়া-মন্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য বিজেপি-র মুখ্য মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের আবার কটাক্ষ, “আমরা তো গোয়া যাচ্ছি না। তৃণমূল হাওয়া বদলের জন্য যাচ্ছে। পুজো করে ক্লান্ত।”