শীতকালে শিশুর ত্বক থাকুক যত্নে, রইল বিশেষ টিপস

শীতকালে শিশুর ত্বক থাকুক যত্নে, রইল বিশেষ টিপস

আজবাংলা  পৃথিবীতে আসার পরপর জন্ম নেয়া শিশুর প্রয়োজন পড়ে বিশেষ যত্নের সেই সাথে দরকার বাড়তি সতর্কতা। আর সময়টা যদি হয় শীতকাল, তবে তো আরও বেশি সতর্কতা প্রয়োজন। আমাদের আজকের প্রতিবেদনটি হল, শিশুর শীতের প্রয়োজনীয় যত্নের কথা আলোচনা হবে। সবসময় ঋতু অনুযায়ী তার যত্নের ব্যবস্থা করতে হবে।

সবসময় মাথায় রাখা উচিত, শিশু যেই ঋতুতে জন্ম গ্রহন করবে সেই ঋতু অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। গরম, শীত বা বর্ষার জন্য আলাদা আলাদা যত্নের ব্যবস্থা নিতে হবে। নীচে যে পদ্ধতি বা যত্নের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেইগুলি সবকিছুই বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা করে তবেই করা হয়েছে। আসুন দেখে নেওয়া যাক, সেই পদ্ধতিগুলি-

১) শিশুর শীতকালীন যত্নআত্তি নেয়ার ক্ষেত্রে একটি ভুল ধারণা হলো, গরম লাগবে ভেবে বাচ্চাকে একদম খোলা বা শীত লাগবে ভেবে অনেক কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে রাখা। এটি মাথায় রাখতে হবে।

২) শিশুকে ম্যাসাজ করতে হবে। এতে তার শরীরের রক্ত–সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি, ভালো বেবি অয়েল দিয়ে বাচ্চাকে ম্যাসাজ করাতে হবে। 

৩) শিশুকে সবসময় ব্রেস্ট ফিডিং চালিয়ে যেতে হবে। যদি কোন কারনে শিশু অসুস্থও হয়ে যায়। তবুও বুকের দুধ দেয়া বন্ধ করা যাবে না। 

৪) শীতকালে জন্ম নেয়া বাচ্চাদের বেলায় খেয়াল রাখতে হবে যাতে বাচ্চার সর্দি বা জ্বর না হয়। ঠাণ্ডার খুব খারাপ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। এই ঠাণ্ডা– সর্দি থেকেই বাচ্চার নিউমোনিয়া পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। সেইজন্য প্রথম থেকে সাবধান হওয়া উচিত।

৫) শিশুর যাতে কোন অবস্থায় প্রসাব বা পায়খানা করে তার মধ্যে বেশিক্ষণ না থাকে সেদিকে নজরে রাখতে হবে। সম্ভব হলে ডায়াপার পরাতে হবে। 

৬)  শীতকালে শিশুর মা অন্য যারাই বাচ্চার দেখাশোনা করবেন তাদের বারবার হাত ধুয়ে নিতে হবে। এতে রোগজীবাণু শিশুর কাছে কম যাবে।

৭) ডায়াপারের রাশ থেকে সাবধান হতে হবে। দিনের কিছু সময় ডায়াপার ছাড়া রাখতে হবে। তবে ডায়াপার র‍্যাশ  যদি একান্ত হয়েই যায় সেক্ষেত্রে র‍্যাশ  দূর করার ক্রিম লাগাতে হবে।

৮) গরম কিন্তু আরামদায়ক পোশাক পরিয়ে রাখতে হবে। তবে, শিশুর গায়ে ভারি কম্বল বা লেপ কোনোটাই দেওয়া যাবে না। শীতের প্রকোপ কমাতে হাত ও পায়ে মোজা পরিয়ে রাখতে হবে।

৯) শিশুর ত্বক খুব সংবেদনশীল, তাই তাদের ত্বককে সবসময় মসৃণ রাখতে হবে। এজন্য ভালো মানের বেবি লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। যেকোনো বেবি প্রোডাক্ট ব্যবহার করার আগে তার মান যাচাই করে নিতে হবে। সেই সাথে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখও দেখে নিতে হবে। 

১০) শীতকালে শিশুর যত্নআত্তি করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, ঘরে যাতে ঠাণ্ডা বাতাস না আসতে পারে। ঘর গরম রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে দিনের বেলা দরজা জানালা খোলা রেখে পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে।