তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী ,জেনে নিন আবহাওয়ার পূর্বাভাস

তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী ,জেনে নিন আবহাওয়ার পূর্বাভাস

অবশেষে শীতের আগমন হল শহরে। নিম্নমুখী তাপমাত্রার পারদ জানান দিচ্ছেন শীতের সূচনা হয়ে গিয়েছে বঙ্গে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টিমুখর দিন দেখার পর আর যেন তর সইছিল না বাঙালির। কবে জাঁকিয়ে পড়বে শীত, সেই অপেক্ষাতেই ছিল রাজ্যবাসী। শেষ পর্যন্ত দেখা মিলল শীতের। তাপমাত্রার পতন থেকেই স্পষ্ট লেপ-কম্বল আর সোয়েটারের দিন এসে গিয়েছে কলকাতায়।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পরিসংখ্যান বলছে মঙ্গলবার শহরের শীতলতম দিন। কতটা নামল তাপমাত্রার পারদ? মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ থাকবে ৯৫ শতাংশ। আগামী ৫ দিন কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলাতেই আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। উত্তরবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন আর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

ফলে বৃষ্টির হাত থেকে আপাতত বঙ্গবাসী মুক্তি পেয়েছে তা বলাই চলে। হাওয়া অফিস বলছে, আগামী কয়েকদিন ধাপে ধাপে কমবে রাতের তাপমাত্রা। ইতিমধ্যে পারদ পতন শুরু হয়ে গিয়েছে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Temperature In Kolkata) ছিল ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার তাঁর থেকে এক ডিগ্রি কমেছে। আগামী ২-৩ দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও দু'থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস কমবে।

অর্থাৎ বড়দিনের ছুটির আগেই কলকাতায় জাঁকিয়ে শীত পড়তে চলেছে তা বলাই বাহুল্য। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গেও শীতের আমেজ মালুম হবে। আগামী দুই থেকে তিনদিনে রাতের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি কমবে। তারপর তেমন হেরফের হবে না তাপমাত্রার। থিতু হবে শীত। তারইমধ্যে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দার্জিলিং, কালিম্পঙের মতো পার্বত্য এলাকায় সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। সকালের দিকে কুয়াশা কেটে বেলা বাড়লে দেখা মিলবে সূর্যের। তার ফলে জমিয়ে শীতের আমেজ মিলবে।  

কোথায় কত তাপমাত্রা

আসানসোল- ১৪.১ বালুরঘাট- ১৩.২ ব্যারাকপুর- ১৩.৪ বহরমপুর- ১৪.৬ বর্ধমান- ১৩.৮ ক্যানিং- ১৪.০ কন্টাই- ১৩.৫ কোচবিহার- ১১.১ দার্জিলিং- ৬.০ ডায়মন্ড হারবার- ১৫.৫  দিঘা- ১৫.৪ দমদম- ১৫.৩ হলদিয়া- ১৬.৪ জলপাইগুড়ি - ১২.২ কালিম্পং- ১০.০ কৃষ্ণনগর- ১৩.৮ মালদা- ১৫.০ মেদিনীপুর- ১৫.১ পানাগড়- ১১.৯ সল্টলেক- ১৫.০ শিলিগুড়ি- ১১.২ শ্রীনিকেতন- ১২.০