রীতেশ তিওয়ারি এবং জয়প্রকাশ মজুমদারকে শো'কজ করল বিজেপি

রীতেশ তিওয়ারি এবং জয়প্রকাশ মজুমদারকে শো'কজ করল  বিজেপি

রীতেশ তিওয়ারি এবং জয়প্রকাশ মজুমদারকে শো'কজ করল রাজ্য BJP। শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সুপারিশে এই চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর। শো-কজ চিঠিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য কেন এই নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা লিখিত আকারে জানাতে। কিছুদিন আগেই BJP-র নতুন পদাধিকারীমণ্ডলীর ঘোষণা হয়।

দেখা যায় সেখানে বিস্তর বদল এসেছে। জয়প্রকাশ মজুমদার, রীতেশ তিওয়ারির মতো নেতাদের নাম তাতে ছিল না। এরপরেই ঘনিষ্ঠ মহলে এই নেতাদের ক্ষোভ প্রকাশের বিষয়টি সামনে এসেছিল। যদিও প্রকাশ্যে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি তাঁরা। জয়প্রকাশ মজুমদারকে দেওয়া শো-কজ চিঠিতে বলা হয়, 'আপনার দ্বারা গত কিছুদিন ধরে পার্টি বিরোধী বিবৃতি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া হয়েছে, যা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সামিল।

শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী মাননীয় রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ ড: সুকান্ত মজুমদার মহাশয়ের নির্দেশে আপনাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। কেন দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা লিখিতভাবে জানানোর জন্য বলা হচ্ছে।'  বঙ্গ BJP-র কার্যালয় সম্পাদক প্রণয় রায়ের সই করা এই চিঠি দুই নেতাকে পাঠানো হয়েছে।

এই চিঠি পাওয়া প্রসঙ্গে জয়প্রকাশ মজুমদারকে  বলেন, 'আমি এখনও দেখিনি। চিঠিটা অফিসিয়ালি পায়নি। মিডিয়া আমাকে বলছে। সুতরাং যতক্ষণ না পর্যন্ত চিঠিটা অফিসিয়ালি পাচ্ছি, এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।' এদিকে, কিছুদিন আগেই গোপালনগর দক্ষিণ মণ্ডলের BJP সভাপতি হরিশঙ্কর সরকারের বাড়িতে একটি চড়ুইভাতির আয়োজন করা হয়।

যেখানে উপস্থিত ছিলেন, সায়ন্তন বসু, জয়প্রকাশ মজুমদার, রীতেশ তিওয়ারির মতো নেতারা। এই পিকনিক বিক্ষুব্ধ নেতারাদের বলেও কটাক্ষ করেছিলেন অনেকে। যদিও জয়প্রকাশ মজুমদার বলেছিলেন, 'এটি আদতে সামাজিক একটি অনুষ্ঠান, এর মধ্যে রাজনীতি নেই।' এদিকে জয়প্রকাশ মজুমদার এবং রীতেশ তিওয়ারির শো-কজ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে শান্তনু ঠাকুর বলেন, 'আমি আবার তাঁদের নিয়ে বসব। একজন সাংসদ এবং মন্ত্রী হিসেবে আমার কর্তব্য দলে যাঁরা খুশি নয় তাঁদেরকে বোঝানো। তাঁরা যাতে দলে থাকেন সেজন্য বার্তা দেওয়া।'