শরীর সুস্থ রাখতে জিরার উপকারিতা

শরীর সুস্থ রাখতে জিরার উপকারিতা

রান্নায় জিরার ব্যবহার বাঙালির দীর্ঘদিনের অভ্যাস। এটি খাবারে বাড়তি স্বাদ ও গন্ধ যুক্ত করে। তবে শুধু খাবারের স্বাদ বাড়াতেই নয়, শরীরের নানা উপকারেও জিরার জুড়ি মেলা ভার। হজম ক্ষমতার উন্নতির পাশাপাশি নানাবিধ পেটের রোগ সারাতে এই প্রকৃতিক উপাদানটি যেমন বিশেষ ভূমিকা নেয়, তেমনি অ্যাজমার প্রকোপ কমাতে এবং ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও কাজে আসে। জিরার আরও অনেক উপকারিতা আছে, চলুন জেনে নেয়া যাক—

রক্তশূন্যতার চিকিৎসায় : জিরায় আয়রন বিদ্যমান থাকায় হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধিতে রক্তশূন্যতা দূর করে। এতে শারীরিক সমস্যা দূর হয়।

 Amazon-এ চলছে সেল

ফুসফুসের কাজ ভালো করে : শরীরে মিউকাসের মাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা কমায় জিরে। জিরেতে সেরকম কিছু উপাদান আছে। ফুসফুসের কর্মক্ষমতাও ঠিক রাখে। ফলে শ্বাসকষ্টজনিত বিভিন্ন সমস্যা ও অসুখ ঠিক রাখে জিরের জল। 

কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে : জিরের জল পানের আরও একটি স্বাস্থ্য উপকারিতা হচ্ছে, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যাদের এ রোগ আছে, তাদের দিনে দুবার সেবন করতে পারেন।

বমিভাব দূরীকরণে : জিরা পানি বমি বমি ভাব দূরীকরণে বিশেষভাবে কাজ করে। গর্ভবতী মহিলারা গর্ভাবস্থায় জিরা পানি পান করতে পারেন।

 Amazon-এ চলছে সেল

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় : রোজ ডায়েটের তালিকায় জিরের জল রাখলে ত্বকের ভিতরের পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, সেলেনিয়াম, কপার এবং ম্যাঙ্গানিজের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে ত্বকের ভেতরে উপস্থিত টক্সিক উপদানেরা বেরিয়ে যেতে বাধ্য হয়। ফলে ত্বকের বয়স তো কমেই, সেই সঙ্গে সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো।

রোগ-প্রতিরাধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : জিরায় উপস্থিত আয়রন শরীরে প্রবেশ করার পর লহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতিও দূর করে। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

 Amazon-এ চলছে সেল

গ্যাস্ট্রিক নিরাময়ে : জিরা পানি গ্যাস্ট্রিক নিরাময়ে উত্তম ওষুধ হিসাবে কাজ করে ও নিরাময় করে। তাই জিরার পানি পান করুন ও গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্ত থাকুন।

লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত জিরা পানি খেলে শরীরের ডায়াজেস্টিভ এনাজাইমের উৎপাদন বেড়ে যায়, সেই সঙ্গে লিভারে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরাও শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না।