লোকাল ট্রেন চালু করতে কেন্দ্রের কোনও অসুবিধে নেই,অপেক্ষা রাজ্যের সবুজ সঙ্কেতর

লোকাল ট্রেন চালু করতে কেন্দ্রের কোনও অসুবিধে নেই,অপেক্ষা  রাজ্যের সবুজ সঙ্কেতর

আজবাংলা     সবই তো চলছে, লোকাল ট্রেন কেন নয়? এমনটাই বলছিলেন বিক্ষুব্ধরা। এবার হয়তো তাঁদের ইচ্ছেতেই শিলমোহর পড়ছে। লোকাল ট্রেন চালাতে চেয়ে রাজ্যকে চিঠি দিল কেন্দ্র।ওই চিঠিতে রাজ্যকে জানানো হয়েছে, লোকাল ট্রেন চালু করতে কেন্দ্রের কোনও অসুবিধে নেই। চাই রাজ্যের সবুজ সঙ্কেত।কিন্তু ট্রেন ট্র্যাকে নামার আগে চাই রণকৌশল।

কোভিড আবহে শক্ত বিধিনিষেধ ছাড়া লোকাল ট্রেনে ভিড় জমালে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই রাজ্য সরকারের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা চায় কেন্দ্র।আরপিএফও এদিন একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করে জানিয়েছে ট্রেনে চড়ার সময় কী কী করণীয়। সেই নির্দেশ লঙ্ঘনে জেল জরিমানার সম্ভাবনাও রয়েছে।করোনা পরিস্থিতির কারণে গত ২৫ মার্চ থেকে বন্ধ রেলওয়ে পরিষেবা।

মে মাসে প্রথম কেন্দ্র পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ট্রেন চালায়। তারপর সাধারণ মানুষের জন্য ধাপে ধাপে পথে নামে কিছু বিশেষ ট্রেন। কিন্তু লোকাল ট্রেন নিয়ে রাজ্য-কেন্দ্র কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। বাড়তে থাকে বিক্ষোভ। সোনাপুর,পাণ্ডুয়া, হুগলি-সহ নানা জায়গায় লোকাল ট্রেনের দাবিতে বিক্ষোভ সামাল দিতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় আরপিএফ-কে।

দক্ষিণ পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার সঞ্জয় মোহান্তি আগেই জানিয়েছেন, রেলের তরফে নিজেদের মতো করে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আরপিএফ বিভিন্ন প্রস্তুতি নিচ্ছে। মেট্রোতে যেমন ভিড় হয় তার চেয়ে অনেক বেশি ভিড় হয় লোকাল ট্রেনে। শহর ও শহরতলির স্টেশনে ঢোকা-বেরোনোর জন্য একাধিক গেট রয়েছে।

ফলে কোভিড প্রোটোকল মেনে যাত্রী নিয়ন্ত্রণ করা একটি কঠিন কাজ। ফলে রেল ও রাজ্য একসঙ্গে আলোচনায় বসে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।এদিকে, রেল নিরাপত্তা বাহিনী (আরপিএফ)-র তরফে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ট্রেন পরিষেবা চালু হলে কী কী বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে, নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে তা বলা হয়েছে। নির্দেশিকা অগ্রাহ্য করলে, জেল বা জরিমানা অথবা দুটোই হতে পারে। এখন শুধু রাজ্যের সবুজ সংকেতের অপেক্ষা।