নদিয়ায় মহিলাকে খুনের অভিযুক্ত যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য

নদিয়ায় মহিলাকে খুনের অভিযুক্ত যুবকের  ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য

হরিণঘাটা  একদিন আগেই এক মহিলাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে হরিণঘাটায়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। এই ঘটনা ঘিরে চাপানউতর শুরু হয়েছে এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, ওই মহিলার সঙ্গে নিহত যুবকের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। দু’জনই বিবাহিত। সন্তানের মা, বাবা তাঁরা। এরইমধ্যে একে অপরের সঙ্গে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ।

তারপর এই ঘটনা। হরিণঘাটা থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। রবিবার হরিণঘাটার ঝিকরা গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় এক বিবাহিত মহিলাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এলাকার একটি মাঠ থেকে ওই মহিলার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের লোকজন এসে মৃতদেহটি শনাক্ত করেন।

তাঁরাই জানান, বাড়ির বউয়ের অন্য এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। সে কারণেই এই পরিণতি। এই ঘটনায় যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল ওঠে, সেই যুবক ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন বলে জানান স্থানীয়রা। এরইমধ্যে সোমবার অভিযুক্ত যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দা নিখিল মণ্ডল বলেন, “মেয়েটা মারা যাওয়ার পর অভিযুক্তকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

আজ সকালে শুনলাম অভিযুক্তের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে। এখানে তো আমরা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলব। প্রশাসন একটু তত্‍পর হলে তো এমনটা হত না। ও একজনকে মেরে ফেলেছে ঠিকই। তবে এভাবে আরও একটা প্রাণ তো চলে যেত না।” স্থানীয়দের ধারনা, ভয়ে, আতঙ্কে নিজেকে শেষ করে দেন ওই যুবক।

সম্পর্কের টানাপোড়েনে চরম পরিণতির পথে হাঁটা কোনও নতুন ঘটনা নয়। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে একের পর এক ভুল কাণ্ড ঘটিয়ে বসার উদাহরণও আছে ভূরি ভূরি। সংসার ও বাইরের সম্পর্কের দোলাচলতায় মাথা ঠিক রাখতে না পেরে হরিণঘাটার ওই যুবকের মতো পরিণতি বেছে নেন এমন ঘটনাও ঘটে বহু।