মায়ের পচা দেহ আগলে রেখে মেয়ে, রবিনসন স্ট্রীটের পুনরাবৃতি ফের বাংলায়

মায়ের পচা দেহ আগলে রেখে মেয়ে, রবিনসন স্ট্রীটের পুনরাবৃতি ফের বাংলায়

আজবাংলা   সেই রবিনসন স্ট্রীট এর ঘটনা মনে আছে কারুর? যার বাড়ি থেকে পুলিশ বের করেছিল পচে যাওয়া মৃত দেহ। ঠিক তমনই এক ঘটনার সাক্ষী হল হুগলীর শ্রীরামপুর। শ্রীরামপুরের চাতরা বাজার এলাকার প্রতিবেশীরা কয়েকদিন ধরেই একটি বাড়ি বিশ্রী  দুর্গন্ধ পাচ্ছিলেন। ঠিক কি কারনে এমন পচা গন্ধ আসছে বুঝতে না পেরে থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর দেন ওখানকার পুর প্রশাসক সন্তোষকুমার সিং। পুলিশ এসে উদ্ধার করে বৃদ্ধার পচাগলা দেহ সেই বাড়ি থেকে।

সূত্র মারফত জানা গেছে, প্রতিবেশীরা বেশ কিছুদিন ধরেই দুর্গন্ধ পাচ্ছিলেন। এই রবিবারে বেলা যত এগোয় ততই বাড়তে থাকে গন্ধের তীব্রতা। আর থাকতে না পেরে খবর দেওয়া হয় থানায়। এরপর ওই এলাকার বাসিন্দারা ডাকাডাকি করে সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ফেলে দেয়। ঠিক সেই মুহূর্তে দেখতে পান মেঝেতে বসে ৫৫ বছরের এক মেয়ে আর ঠিক পাশেই পরে রয়েছে এক বুড়ির পচা দেহ। এরপর শ্রীরামপুর থানার পুলিশ গিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠায়।

ওখানকার বাসিন্দারা জানান, গত তিন-চার দিন ধরে বাড়ি থেকে বেরননি বৃদ্ধা ও তার মেয়ে। এরপর ভেবেছেন ওখানকার সকলে করোনার জন্যই হয়ত ঘরবন্দি। এরপর পুলিশের তদন্তের অনুমান, মৃতার মেয়ে মানসিক অবসাদগ্রস্ত। কিন্তু কিছু প্রশ্ন থেকেই যায়। ঠিক কী হয়েছিল বৃদ্ধার? এতদিন ধরে মায়ের দেহ কানো সৎকার করেনি মেয়ে? এই অবস্থায় সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।