বীরভূমের তারাপীঠের আদলে পাঁশকুড়ায় তৈরি হচ্ছে 'দ্বিতীয়' তারাপীঠ

বীরভূমের তারাপীঠের আদলে পাঁশকুড়ায় তৈরি হচ্ছে 'দ্বিতীয়' তারাপীঠ

বীরভূমের তারাপীঠে রয়েছে মা তারার মন্দির। গোটা বিশ্বের বাঙালির কাছেই যার নাম জানা। এবার পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার মাইশোরা অঞ্চলের চকগোপাল গ্রামে তৈরি হতে চলেছে দ্বিতীয় তারাপীঠ।

যা বীরভূমের মা তারার মন্দিরের আদলেই তৈরি হচ্ছে। মন্দিরের উচ্চতা হবে ৮০ ফুট। আর গর্ভগৃহে মাতৃপ্রতিমা দর্শন করতে হলে ডিঙোতে হবে ৫১ ধাপ সিড়ি। প্রায় ৬ একর জায়গা জুড়ে অবিকল তারাপীঠের আদলেই সাজানো হচ্ছে এই মন্দিরটি।

মন্দিরের পাশেই থাকবে সাধক বামাক্ষ্যাপা আশ্রম এবং বড় শ্মশান। জোর কদমে চলছে নির্মাণকাজ, আগামী ১২ ই জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা হবে মাতৃ মূর্তি। পাঁশকুড়া ও আশেপাশের স্বর্নকাররা নিজেদের উদ্যোগে এবং খরচে এই মন্দির তৈরি করছেন।

তাঁদের বক্তব্য, পূর্ব মেদিনীপুরের মানুষদের আর তারাপীঠে যেতে হবে না, পাঁশকুড়াতেই মা তারার পুজো দিতে পারবেন এবার। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত জানাচ্ছেন, বীরভূমের মা তারা যে উপাচারে পুজো পান, এখানেও সেভাবেই পুজো ও ভোগ হবে মায়ের।

বেশ কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই মন্দিরটি নতুন বছরের উপহার বলেই মনে করছেন পাঁশকুড়াবাসী। এলাকাবাসীর দাবি, রাজ্যের মানুষ এই মন্দিরকে 'পাঁশকুড়ার তারাপীঠ' বলে একডাকে চিনবেন। দ্বিতীয় তারাপীঠ মন্দির কাছে পেয়ে খুশি জেলাবাসী।

কয়েক কোটি টাকা খরচে তৈরি হচ্ছে এই মন্দির। স্থানীয় স্বর্ণকারদের উদ্যোগে ও তাঁদের ব্যক্তিগত খরচেই এই মন্দির তৈরি হচ্ছে। মন্দিরের পুরহিত জানান, বীরভূমের তারা মা যে ভোগ গ্রহণ করেন,এখানও মা একই ভোগ পাবেন। ওখানে পূজার্চনার যা নিয়মনীতি, এখানেও সেই একই নিয়মনীতি মেনেই হবে সবকিছু।