সঙ্কটমোচন বজরঙ্গবলির তুমুল শক্তিতে অমঙ্গলের ঝড় নিমেষেই ধ্বংস হয়

সঙ্কটমোচন বজরঙ্গবলির তুমুল শক্তিতে অমঙ্গলের ঝড় নিমেষেই ধ্বংস হয়

আজবাংলা   একমাত্র বজরঙ্গবলির কৃপায় জীবনের সব রকমের সঙ্কট নিমেষেই কেটে যায়, জীবন হয়ে ওঠে সুন্দর । তিনি একমাত্র মঙ্গলময় মুখ । তাঁর করুণায় জীবের সব থেকে বড় বিপর্যয় কাটে রাতারাতি ।বজরঙ্গবলির এক বিশেষ শক্তি আছে সেই বিশেষ শক্তিতেই কাঁপা ত্রিভুবন ।

বজরঙ্গবলি একমাত্র জীবের সকল কামনা বাসনা পূরণ করতে সাহায্য করেন । সুগ্রীবকে তিনি রামচন্দ্রের দর্শন করতে সাহায্য করেছেন ।বজরঙ্গবলির বিশেষ শক্তিতে ত্রিভুবন কম্পমান হয়ে থাকে তিনি একমাত্র জীবের সকল কামনা বাসনা পূরণ করতে সক্ষম হন ।ভগবান শঙ্কর বা শিব হনুমান চল্লিশা রচনা করেছেন ।

তাঁকে পুজো করলেই আর কারোর পুজো করতে হয়না । তিনি একমাত্র জীবের সকল কামনা বাসনা পূরণ করতে সক্ষম ।প্রতি মঙ্গল ও শনিবার মেটে সিঁদুর, কলা ও লাড্ডু দিয়ে পুজো দিলে সকল মনষ্কামনা পূরণ হয় । ঠাকুর ঘরে বজরঙ্গবলির মূর্তি প্রতিষ্ঠা করলে সংসারে বড়সড় বিপত্তি আসেনা বলেই অনেকেই বিশ্বাস করেন ।

হনুমাল চল্লিশা পাঠ করলে সকল কষ্ট দূরীভূত হয়ে থাকে ।বজরঙ্গবলি একমাত্র এমন এক শক্তি যিনি সমস্ত রকমের দুঃখ কষ্ট থেকে মুক্তি দেন । ঘরে ঘরে সাধারণত মঙ্গলবার করেই বজরঙ্গবলীর পুজো করা হয়। মঙ্গলবার এবং শনিবার করেও অনেকে হনুমাল চল্লিশা পাঠ করেন। বলা হয় প্রতিদিন যদি বিশেষত রাতের বেলা হনুমান চল্লিশা পাঠ করেন, তাহলে তার অভূতপূর্ব ফলাফল পাওয়া যায়।

১) সঙ্কট দূর করতে চল্লিশা পাঠ

'সঙ্কট মোচন শ্রী হনুমানুষ্টক'। হনুমান চল্লিশার একটি মন্ত্রেই বলা হয়েছে যে, বজরঙ্গবলীর মন্ত্র উচ্চারণ করলে কোনও ব্যক্তির সমস্ত বাধা বিপত্তি দূর হয়ে যায়। সমস্ত বাধা অতিক্রান্ত হয়ে চলার পথ সুগম হয়ে যায়। তাই যখনই কোনও বিপদে পড়বেন বা কোনওরকম বাধার সম্মুখীন হবেন, তখন অবশ্য মনে মনে এই 'সঙ্কট মোচন শ্রী হনুমানুষ্টক' মন্ত্র জপ করুন, সমস্ত বাধা-বিঘ্ন কেটে যাবে।

২) শনির প্রভাব দূর করতে হনুমান চল্লিশা পাঠ

কখনও যদি আপনার ওপর শনিদেবের নজর পড়ে, তখন জীবনে কোনওকিছুই ভালো ভাবে চলে না। শনির প্রভাব যদি জীবনের ওপর পড়ে, তাহলে সংসারে কারো কোনও মঙ্গল হতে পারে না। তাই এই প্রভাব থেকে মুক্ত হতে নিয়মিত হনুমান চল্লিশা পাঠ করুন। এর মন্ত্র জপে আপনার জীবনের ওপর থেকে শনির দশা দূর হতে শুরু করবে এবং জীবনে শান্তি নেমে আসবে।

৩) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি করতে নিয়মিত হনুমান চল্লিশা পাঠ

অনেকসময় এমন হয়, সবরকম প্রচেষ্টা সত্ত্বেও কর্মক্ষেত্রে খুব একটা কিছু করে উঠতে পারছেন না, সেক্ষেত্রে কর্মক্ষেত্রে যদি সাফল্য নিয়ে আসতে চান, তাহলে আপনাকে নিয়ম করে হনুমান চল্লিশা পাঠ করতে হবে, তাহলেই দেখবেন সৌভাগ্য নিজে আসবে আপনার জীবনে। তবে এরজন্য প্রতি মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনিবার রাতে হাত-মুখ ধুয়ে হনুমান চল্লিশা পাঠ করুন।

৪) পাপবোধ হলে হনুমান চল্লিশা পাঠ করুন

জ্ঞানে হোক বা অজ্ঞানে সকলেই কমবেশি পাপ করে থাকেন। তবে খুব কম মানুষই এমন রয়েছেন যাঁদের এই পাপবোধ হয়ে থাকে। তবে পাপের ক্ষমা চাইবেন কার কাছে? সেক্ষেত্রে হনুমান মন্ত্রই হতে পারে আপনার ক্ষমা চাওয়ার একমাত্র পথ। যদি কোনও দিনও মনে হয় যে, জীবনে কোনও পাপ করেছেন আর তার জন্য আপনি অনুতপ্ত। তাহলে প্রতিদিন রাতে আটবার করে হনুমান চল্লিশার প্রথম স্তবটি পাঠ করুন।

৫) দুরাত্মাকে বিতাড়িত করতে হনুমান চল্লিশা পাঠ

অনেকসময়ে দুরাত্মার কারণ সংসারে নেমে আসে অন্ধকারের কালো ছায়া। প্রথমেই বলেছি যে, যা কিছু কু, যা কিছু পাপ, যা কিছু দুরাত্মা তার বিনাশ করতে পারে হনুমান মন্ত্র। প্রতিদিন স্নান করে উঠে হনুমান চল্লিশা পাঠ করলে পাপের বিনাশ সম্ভব, সেইসঙ্গে দুরাত্মাকে বিতাড়িত করা সম্ভব।