কান ফুটো করতে হলে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

কান ফুটো করতে হলে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

আজবাংলা   মেয়েদের কান ফুটো করা প্রচলিত একটা বিষয়। শরীরের বিশেষ অঙ্গে ফুটো করতে গিয়ে অনেকসময় ভয়ানক ইনফেকশন হয়ে যায়। এরপর তার থেকে রয়ে যায় জ্বর এবং নানা শরীর খারাপ।কান পেকে যাওয়া, কানের ফুটোয় পুঁজ জমা, ইনফেকশন হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। কিন্তু একটু সতর্ক থাকলে এই ভয়গুলি খুব সহজেই এড়ানো যেতে পারে। আসুন দেখে নিন কীভাবে।

যা করবেন-   কোথায় কান ফুটো করছেন, সেখানকার পরিবেশ হাইজেনিক কি না, দেখে নিন। অর্থাৎ কান ফোঁড়ানোর করানোর আগে তা স্টেরিলাইজ় করা হয় কি না, খোঁজ নিন।

অনেক ডাক্তারের ক্লিনিকে কান ফুটো করা হয়ে থাকে। সেখানে খোঁজ নিতে পারেন। কোনো সালঁয় গান শটের মাধ্যমে পিয়ার্স করাতে চাইলে আগে ভাল করে দেখে নিন, তারা কোন ধরনের মেটালের দুল দিচ্ছে।

তা আদৌ স্টেরিলাইজ় করানো কি না, সে বিষয়েও খোঁজ নিন। সাধারণত ২২ থেকে ২৪ ক্যারাট সোনার কানের দুল নিরাপদ মনে করা হয়। বিশেষ করে নিকেল ও কোবাল্ট জাতীয় ধাতুতে অনেকেরই অ্যালার্জি হয়। তাই কান ফুটোর সময়ে এই ধাতুর দুল এড়িয়ে যেতে হবে।

পাশাপাশি, খেয়াল রাখতে হবে যিনি আপনার সন্তানের কান ফুটো করবেন, তিনি নিজের হাত স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করছেন কি না, নজর রাখুন সে দিকেও।

কান ফুটো করার আগে পেন দিয়ে যখন মার্ক করে নেওয়া হয়, সে সময়ে দেখুন তা যেন কানের লতির উপরেই পড়ে। শিরার উপরে যেন তা পড়ে না। এতে কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে। নিজের কানে পিয়ার্স করলে হাত দিয়ে দেখে নিন।

ফুটো করার পরের যত্ন-  কান ফুটো করার পরেও যত্ন প্রয়োজন। কান ফুটো করার পরের কয়েক দিন অ্যান্টিসেপটিক অয়েন্টমেন্ট লাগাতে হবে। এতে সেপটিক হওয়ার ভয় থাকবে না। কান ফোঁড়ানোর পরে কয়েক দিন অ্যালকোহল সোয়্যাব দিয়ে কানের চারপাশ মুছে পরিষ্কার করে দিতে পারেন। এতে তাড়াতাড়ি কান শুকিয়ে যাবে।

কানের দুল প্রত্যেক দিন ঘোরাতে হবে। আর যদি পুশ করা দুল হয়, তা হলে তা সামনে পিছনে টেনে দিতে হবে। দুলটা নাড়াচাড়া করতে হবে। এতে কানের ফুটোয় হাওয়া খেলবে। ফলে ইনফেকশনের ভয়ও থাকে না। কান ফুটো করার সময়ে যে দুল পরবেন, অন্তত এক মাস সেই দুলই কানে পরে থাকতে হবে। তার পরে কয়েক মাস সোনার দুল পরালেই ভাল।