রোগ প্রতিরোধে এই মাছটির ভুমিকা অপরিসীম। পরামর্শ ডাক্তারদের

রোগ প্রতিরোধে এই মাছটির ভুমিকা অপরিসীম। পরামর্শ ডাক্তারদের

আজবাংলা   প্রত্যেক বাঙালির প্রিয় খাবার ভাত ও মাছ। এইকারনে বাঙালির মানেই ধরে নেওয়া হয় ম্যাচে ভাতে বাঙালি। তবে, সময়ের সাথে সাথে আমূল পরিবর্তন ঘটেছে বাঙালির জীবনযাত্রাতে। এ জন্য পাশাপাশি বদলে গেছে, বাঙালির খাদ্য তালিকায়ও। 

তবে, এখন বাঙালির মন মেতেছে চিকেনে। ছোট থেকে বড় সবারই পছন্দ মুরগি। তবে, করোনার পরিস্থিতিতে দেহের মধ্যে পুষ্টির বিকাশ হওয়া দরকার। দেহে পুষ্টি বাড়লে তবেই রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়বে। সেইকারনে চিকিৎসা মহল থেকে শুরু করে গবেষকরাও জোর দিচ্ছেন মাছের ওপর।

প্রতিদিনের খাদ্যের তালিকায় মাছ রাখতেই হবে, এমনটাই মত চিকিৎসকদের। ঝাল হোক কিংবা ঝোল, মাছ রাখা বাঞ্ছনীয়। এক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে পুষ্টি বাড়ানোর জন্য মাছের মধ্যে রুই মাছ বিশেষ উপকারী। কারন, রুই মাছেও রয়েছে ভরপুর প্রোটিন। আসুন দেখে নেওয়া যাক, রুই মাছের মধ্যে কি কি গুনাগুন রয়েছে।

১. ভিটামিন এ, ডি, ই রয়েছে রুই মাছে। ২. ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, লোহা-খনিজে ভরপুর এই মাছ। পুষ্টিবিদের মত, ‘‘রুই মাছে কোলিন নামের একটি পদার্থ থাকে। এই এসেনশিয়াল নিউট্রিয়েন্টসটি সম্প্রতি আবিষ্কার হয়েছে, এটি ডিএনএ সংশ্লেষে সাহায্য করে। স্নায়ুতন্ত্র, ফ্যাটের বিপাক ক্রিয়া এবং পরিবহণে সাহায্য করে।’’

পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন ৫০ থেকে ৭৫ গ্রাম মাছ খাওয়া দরকার। অর্থাৎ একটা বড় টুকরোই যথেষ্ট। এইসময়ে, মাংসের পরির্বতে রুই মাছ খাওয়া দরকার। রুই মাছে ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকায় যাঁদের অতিরিক্ত মেদ রয়েছে, তাঁরা নিয়মিত এই মাছ খেতে পারেন।

এই মাছের তেলে থাকা ওমেগা থ্রি নামক অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড যা রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল এলডিএল ও ভিএলডিএল কমায় এবং উপকারী কোলেস্টেরল এইচডিএলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে হৃদযন্ত্রে চর্বি জমতে পারে না।

এই ওমেগা থ্রি রক্তের অণুচক্রিকাকে জমাট বাঁধতে দেয় না, ফলে রক্তনালিতে জমাট বাঁধার কারণে স্ট্রোক হতে পারে না। স্ট্রোক প্রতিরোধে রুই মাছের ভূমিকার কথা অনেক জায়গায় রয়েছে।