মৌমাছি কামড়ালে জ্বালা-ব্যথা  থেকে মুক্তি পান এই ঘরোয়া উপায়ে 

মৌমাছি কামড়ালে জ্বালা-ব্যথা  থেকে মুক্তি পান এই ঘরোয়া উপায়ে 

ছোটবেলায় আমারা কম-বেশি প্রত্যেকেই মৌমাছির কামড়ের শিকার হয়েছি। মৌমাছি একবার হুল ফোটালে দীর্ঘক্ষণ তীব্রভাবে জ্বালা-ব্যথা করতে থাকে এবং সঙ্গে সঙ্গে সেই জায়গাটা লাল হয়ে ফুলে যায় । কিছু কিছু মৌমাছির বিষ আবার অত্যন্ত বিপজ্জনক। তবে  মৌমাছির দংশন খুব বিপজ্জনক না হলেও, কারও কারও ক্ষেত্রে এটি থেকে অ্যালার্জি পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।তাই আসুন জেনে নেওয়া যাক  মৌমাছি কামড়ালে কীভাবে সেই জ্বালা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে? 

অ্যাপেল সিডার ভিনেগারে অ্যান্টি-ইচিং গুণ রয়েছে ,  মৌমাছির দংশনের ফলে হওয়া চুলকানি কমাতে সাহায্য করতে পারে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার।অ্যাপেল সিডার ভিনেগারের সাথে সামান্য জল মিশিয়ে সেটা ক্ষতস্থানে দিয়ে রাখুন , দেখবেন জ্বালা থেকে একটু মুক্তি পাবেন। 

পেঁপেতে পাপাইন নামক এনজাইম বর্তমান, যা চুলকানি এবং ব্যথা কমাতে পারে। এর জন্য ক্ষত স্থানে, এক টুকরো পেঁপে ঘষে, কমপক্ষে ৩০ মিনিটের মতো রেখে দিন। বেকিং সোডা জীবাণুনাশক। এটি মৌমাছি দংশনের ফলে হওয়া ব্যথা, চুলকানি এবং ফোলা ভাব কমাতে দুর্দান্ত সহায়ক। বেকিং সোডা এবং জলের একটি পেস্ট তৈরি করে ক্ষত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এভাবে ১৫ মিনিট রেখে দিন। 

মধু ক্ষত নিরাময়, প্রদাহ এবং চুলকানি দূর করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহায়ক। মধুতে অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য আছে। মৌমাছি কামড়ালে, প্রথমে সেই স্থানে সামান্য পরিমাণে মধু লাগিয়ে হালকা ঘষে নিন। তারপর একটি ব্যান্ডেজ দিয়ে আলগাভাবে ক্ষত স্থানটি এক ঘণ্টার মতো বেঁধে রাখুন।অ্যালোভেরাতে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং বেদনানাশক ক্ষমতাআছে, যা ক্ষত স্থানের চুলকানি ও জ্বালাভাবকে প্রশমিত করতে সহায়তা করে।  অ্যালোভেরা জেল নিয়ে সরাসরি ক্ষত স্থানে লাগিয়ে রেখে দিন বেশ কিছুক্ষণ , উপকার পাবেন ।