ক্ষত নিরাময় থেকে বাতের ব্যথা কুপকাত হবে থানকুনি পাতার এই গুনে  

ক্ষত নিরাময় থেকে বাতের ব্যথা  কুপকাত হবে থানকুনি পাতার এই গুনে  

আমাদের দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ হল থানকুনি পাতা। গ্রামগঞ্জে পুকুরপাড় বা জলাশয়ে হামেশাই দেখা মেলে এই পাতার। ছোট্ট  গোলাকৃতি পাতার মধ্যে রয়েছে ওষুধি সব গুণ। থানকুনি পাতার রস রোগ নিরাময়ে অতুলনীয়। হালকা তেতো স্বাদের এই থানকুনি পাতা খাদ্য এবং ওষুধ দুভাবেই ব্যবহার হয়। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক থানকুনি পাতার এই গুন গুলি ……

ক্ষত নিরাময়ে এবং ত্বকের কার্যকারিতা বাড়াতে শুকনো থানকুনির গুঁড়া দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে ক্ষতস্থানে প্রয়োগ করুন।দ্রুত রক্তপাত বন্ধ করতে থানকুনি পাতার কোনও জুড়ি নেই। থানকুনি পাতা বেটে কাটা জায়গায় লাগালে ব্যথা কম হবে আর রক্ত পড়াও বন্ধ হয়ে যাবে।


পেটের আলসারজনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে  থানকুনি পাতা অত্যন্ত কার্যকারী। প্রথমে পরিষ্কার ও তাজা থানকুনি পাতা সেদ্ধ করুন। এরপর সেই জল একটি গ্লাসে ছেঁকে নিন। সেই জলে মধু যোগ করে প্রতিদিন সকালে  তা পান করুন। যে কোনও রোগে থানকুনি পাতা খুব ভালো। আমাশয় থেকে আলসার সেরে যায় এই পাতার গুনেই।

যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন তারা নিয়মিত থানকুনি পাতা খেতে পারেন।এতে উপকার পাবেন।মধুর সঙ্গে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে তা সহজেই কাশি এবং শ্বাসযন্ত্রের অন্যান্য অসুখ সারাতে সাহায্য করতে পারে।

যারা বাতের ব্যথায় ভুগছেন তাদের জন্য উপকারী হতে পারে থানকুনি পাতা। প্রতিদিন অন্তত দুটি থানকুনি পাতা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে বাতের সমস্যা থেকে দূরে থাকবেন অনেকটাই। মূত্রনালীর সংক্রমণে যারা ভুগছেন তাদের জন্যও থানকুনি পাতা  খুব উপকারি। পরিষ্কার ও তাজা থানকুনি পাতা সেদ্ধ করে সেই জল একটি গ্লাসে ছেঁকে তাতে মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে পান করুন।

থানকুনি পাতা এক চিমটি লবণ দিয়ে সেদ্ধ করে নিয়মিত পান করলে হজমশক্তি ভালো থাকে। প্রতিদিন সকালে একটি পাকা কলার সঙ্গে কিছু থানকুনি পাতা খেলে তা পেটের স্বাস্থ্য এবং লিভার দুটোই ভালো রাখবে। এছাড়া অনিদ্রার সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে থানকুনি পাতা। প্রতিদিন দুইবার ২/৪ চামচ থানকুনির রস ও মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।