লাগামছাড়া সংক্রমণ ঠেকাতে এবার শামিল রাম মন্দির তহবিল

লাগামছাড়া সংক্রমণ ঠেকাতে এবার শামিল রাম মন্দির তহবিল

করোনা (Coronavirus) সংক্রমণে এখন নিজের গড়া বিশ্বরেকর্ড নিজেই ভাঙছে ভারত। লাগামছাড়া সংক্রমণের ফলে ভয় ধরানোর মতো মৃত্যুর পরিসংখ্যানে ক্রমশ বাড়ছে আতঙ্ক। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অক্সিজেনের (Oxygen) হাহাকার। গত বছর প্রায় ১০ হাজার টন অক্সিজেন রপ্তানি করেছিল ভারত। তারই ফলপ্রসূ এখন কোভিড আক্রান্তদের চিকিত্‍সায় প্রয়োজনীয় অক্সিজেন অমিল। এমতাবস্থায় এবার এগিয়ে এল 'শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র' (Shri Ram Janmbhoomi Teerth Kshetra) ট্রাস্ট।

ওই তহবিলের তরফে অক্সিজেন প্লান্ট বসানোর কথা ঘোষণা করল তারা। গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দেশজুড়ে ভক্তদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছে 'শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র' ট্রাস্ট। সেই সংগৃহীত অর্থ থেকেই ৫৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করে তৈরি হবে অক্সিজেন প্ল্যান্ট। এপ্রসঙ্গে ট্রাস্টের হিসাবরক্ষক অনিল মিশ্র জানিয়েছেন, ''করোনার ধাক্কায় গোটা দেশ অতিষ্ঠ। এই পরিস্থিতিতে ট্রাস্টের তরফে ৫৫ লক্ষ টাকা খরচ করে দু'টি অক্সিজেন প্লান্ট গড়া হবে। অযোধ্যার দশরথ মেডিক্যাল কলেজে ওই প্লান্টগুলি লাগানো হবে।'' 

                                              প্রচুর বেনামী সম্পত্তির মালিক, অনুব্রতকে সম্পত্তির তথ্য চাইলো আয়কর দপ্তর

 বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও অন্য হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি গত ১৫ জানুয়ারিতে শুরু করেছিল মন্দিরের জন্য অনুদান সংগ্রহ। যা চলেছিল ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সরকারি হিসেবে অনুদানের অঙ্ক যা বলা হচ্ছে, বেসরকারি সূত্রের মত তার থেকে অনেকটাই বেশি। সব মিলিয়ে আড়াই হাজার কোটি টাকার মতো অনুদান জমা পড়েছে বলে দাবি সেই সূত্রের। এবার সেই টাকার একটি অংশই ব্যয় হবে প্লান্ট নির্মাণে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে হিমশিম খাচ্ছে দেশবাসী।

অক্সিজেনের রীতিমতো হাহাকার দেখা গিয়েছে দিল্লি-সহ বহু রাজ্যেই। এই পরিস্থিতিতে কয়েকদিন আগেই কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে, শিল্পের জন্য অক্সিজেন উত্‍পাদন কমিয়ে, বাড়ানো হবে স্বাস্থ্যের জন্য অক্সিজেনের পরিমাণ। মঙ্গলবারই অক্সিজেনের অভাবের প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে তীব্র সমালোচনা করেছিল দিল্লি হাই কোর্ট। আদালত প্রশ্ন তুলেছিল, এই সংকটের সময়ে কোথায় পাওয়া যায় অক্সিজেন? কেন হাসপাতালে এসে অক্সিজেনের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে রোগীদের? এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র দাবি করেছে, নয়টি সংস্থা ছাড়া বাকি সবাইকে শিল্পের জন্য ব্যবহৃত অক্সিজেন উত্‍পাদন বন্ধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে এই অতিমারী পরিস্থিতিতে দেশে অক্সিজেনের জোগান বন্ধ না হয়।