নদীয়া জেলাতে এবার হদিশ মিললো ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের

নদীয়া জেলাতে এবার হদিশ মিললো ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের

মলয় দে     কল্যাণী :-    বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কোন ডাক্তারি নাম নয়! আসল কথাটি হলো মিউকর মাইকোসিস! পাউরুটি বা ভিজে কিছুর উপরে বর্ষার সময় যে ছত্রাক জন্মায় সেই রকমই একটি ছত্রাক ঘটিত রোগের নাম মিউকর মাইকোসিস। কিন্তু, রোগের বীভৎসতার রূপ দিতেই হয়তো ব্ল্যাক ফাঙ্গাস নামে গুজব ছড়ানো হচ্ছে।

কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ধরা পড়লো এক মিউকর মাইকোসিস রোগী। বাড়ি নদিয়ার চাকদার যশরা বিশ্বাসপাড়ায় । মঙ্গলবার বছর ৫৬-র বেচারাম দাস নামে এক ওই ব্যক্তিকে কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালের আউটডোর নিয়ে আসেন পরিবারের লোকজন। সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁকে বুধবার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

জানা যায়, তিনি কোভিড পজিটিভ। চিকিতসার পর নানা উপসর্গ দেখে ডাক্তাররা জানতে পারেন তিনি ব্লাক ফাঙ্গাসেও আক্রান্ত হয়েছেন। তড়িঘড়ি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর জন্য তিন সদস্যের বিশেষ মেডিকেল টিম তৈরি করেছেন। হাসপাতালের সুপার অভিজিত মুখার্জি জানিয়েছেন, জেএনএম হাসপাতালেই ওই রোগীর অপারেশনের ব্যবস্থা করার চেষ্টা হচ্ছে।

যদি তা সম্ভব না হয় তবে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আক্রান্তের স্ত্রী বেবী দাস জানান, চোখে ও দাঁতের যন্ত্রণা নিয়ে স্বামীকে নিয়ে হাসপাতালে আসি। ডাক্তাররা জানান তিনি কোভিডে আক্রান্ত। ছেলে সুমন দাস জানান, আপাতত কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালেই বাবার চিকিতসা চলছে। এখানে অপারেশন না হলে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার কথাও রয়েছে।