এবার বাড়িতেই খুব সহজে বানান জিভে জল আনা সুস্বাদু নারকেল কাতলা

এবার বাড়িতেই খুব সহজে  বানান জিভে জল আনা  সুস্বাদু নারকেল কাতলা

কলকাতা:     "ওই ও পাড়ার খুন্তি পিসি, রান্না করে খাসা, / হাঁড়ি, কড়াই, থালা, বাটি, রান্নাঘরে ঠাসা। / নতুন কিছু রান্না পিসি, যেই না কোথাও শেখে, / চটর-পটর ডায়েরি এনে, তড়বড়িয়ে লেখে।"-- সুজাতা চট্টোপাধ্যায়। এই কবিতার খুন্তি পিসির মতো আমরাও কোথাও কোনও ভাল রান্নার খোঁজ পেলেই হল !

ঝটপট তা রাঁধতে বসে যাই আমরা। বাড়ির লোক খেয়ে আহা বললে তো আর কথাই নেই। মনের ভেতর খুশির ফুলঝুরি জ্বলে ওঠে। পুজো আসছে। আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। পুজোর সময় ঠাকুর দেখা, সাজগোজের সঙ্গে জমিয়ে খাওয়াটাও কিন্তু দরকার।

পুজোর চারদিন বাইরে খাওয়া-দাওয়া তো আছেই। কিন্তু বাড়িতেও এ কদিন খাওয়াটা জমিয়ে হতেই হবে। তাই এবার পুজোর মধ্যে কাতলা মাছের সাবেকী রান্না করে দেখুন। পুজো তো সাবেকীই তাই রান্নাটা সাবেকী হলে মন্দ হবে না। 

প্রণালী  

কাতলা মাছের পিস নুন হলুদ দিয়ে হালকা ভেজে তুলে রাখুন। কড়াইতে সর্ষের তেল দিয়ে হলুদ দিয়ে নাড়াচাড়া করে পেঁয়াজ দিন। পেঁয়াজ লাল হয়ে এলে আদা-রসুন বাটা দিয়ে কাশ্মীরি লঙ্কা ও নুন দিয়ে কষতে থাকুন। মশলা থেকে তেল বের হলে, নারকেল বাটা দিয়ে কষান।

তারপর টমেটো বাটা সঙ্গে চেরা কাঁচালঙ্কা ও অল্প জল দিয়ে নাড়ুন। এবার এতে মাছ গুলি ছেড়ে দিয়ে ঢেকে রাখুন। ৬ থেকে ৭ মিনিট রাখুন। তারপর নামিয়ে নিয়ে গরম গরম ভাতের সঙ্গে খান। পুজোর যেকোনও একটা দুপুর জমিয়ে দিন সাবাকী নারকেল কাতলা রেঁধে।