পয়গম্বর বিতর্ক এবার তীব্র উত্তেজনা ছড়াল নদিয়ায়

পয়গম্বর বিতর্ক এবার তীব্র উত্তেজনা ছড়াল নদিয়ায়

হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিজেপি নেত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের জের। এবার তীব্র উত্তেজনা ছড়াল নদিয়ায় (Nadia)। বেথুয়াডহরি স্টেশনে রানাঘাট-লালগোলা মেমুতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। প্রাণ বাঁচাতে এলোপাথাড়ি ছোটেন যাত্রীরা। ঘটনার জেরে আপাতত আপ লাইনে বন্ধ ট্রেন চলাচল। এই ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে কয়েকজনকে।  

হজরত মহম্মদ ইস্যুতে তোলপাড় বাংলা। গত কয়েকদিন ধরে হাওড়ায় (Howrah) চলছে বিক্ষোভ-অবরোধ। রাজ্যের অন্যান্য প্রান্ত থেকেও অশান্তির খবর প্রকাশ্যে এসেছে। রবিবার সন্ধেয় এই ইস্যুতে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল নদিয়ার বেথুয়াডহরি থানার কাছে। কয়েকহাজার মানুষের বিক্ষোভে অবরুদ্ধ হয়ে যায় রাস্তা। সেখান থেকেই ইট -পাটকেল ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ।

এরপর বিক্ষুদ্ধরা চলে যায় বেথুয়াডহরি স্টেশনে। সেই সময় রানাঘাট-লালগোলা মেমু স্টেশনেই ছিল। অভিযোগ, তখনই বিক্ষোভকারী চড়াও হয় ট্রেনে। ব্যাপক ভাঙচুর শুরু হয়।ট্রেনের ভিতরে ঢুকেও চলে ভাঙচুর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় বেথুয়াডহরি স্টেশনে। এরপর ধুবুলিয়া স্টেশনেও চলে তাণ্ডব।  এই অশান্তির জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে আপ লাইনে ট্রেন চলাচল।

বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে বহু ট্রেন। এই অশান্তির জেরে চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার যাত্রীরা। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিশের তরফে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। বিধায়ক কল্লোল খাঁ এ বিষয়ে বলেন, “এদিন বিকেল থেকে বিক্ষোভ চলছিল। পরবর্তীতে ব্যাপক আকার নেয়। পুলিশ সামাল দিতে পারছিল না।

দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় অনেকটা আয়ত্তে এসেছে পরিস্থিতি।” একের পর এক গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ে। অবরোধের জেরে জাতীয় সড়কে কার্যত গাড়ির লাইন লেগে যায়। শুক্রবারও ধূলাগড় ও উলুবেড়িয়ায় জাতীয় সড়ক অবরোধ হয়। পুলিশ কিয়স্কে আগুন জ্বালিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। শনিবার হাওড়া, মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি হয়েছে। সেই আঁচ এবার নদিয়ায়।