নেহরু ও বাজপেয়ীর নির্বুদ্ধিতাতেই তিব্বত , দাবি সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর

নেহরু ও বাজপেয়ীর নির্বুদ্ধিতাতেই তিব্বত , দাবি সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর

মার্কিন (US) হাউস স্পিকার ন‌্যান্সি পেলোসির (Nancy Pelosi) তাইওয়ান (Taiwan) সফর ঘিরে আমেরিকা-চিন যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার সম্ভাবনা ক্রমেই বাড়ছে। ওয়াশিংটনকে পরপর প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছে বেজিং। এমতাবস্থায় বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী (Subramanian Swamy) দাবি করলেন, তিব্বত ও তাইওয়ানকে আজ যে ভারত চিনের অংশ বলে মেনে নিয়েছে, তা জওহরলাল নেহরু ও অটলবিহারী বাজপেয়ীর ‘নির্বুদ্ধিতা’র কারণেই।

মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সম্প্রতি তাঁকে বারবারই সরব হতে দেখা গিয়েছে। এবার তাইওয়ান ইস্যুতে নেহরুর সঙ্গেই বাজপেয়ীর প্রসঙ্গ তুলে গেরুয়া শিবিরকে নতুন করে অস্বস্তিতে ফেললেন প্রবীণ নেতা। বুধবার সকালে এই নিয়ে টুইট করেছেন সুব্রহ্মণ্যম। ঠিক কী লিখেছেন তিনি? তাঁর দাবি, ”আমরা ভারতীয়রা যে তিব্বত ও তাইওয়ানকে চিনের অংশ বলে মেনে নিয়েছি তা নেহরু ও অটলবিহারী বাজপেয়ীর নির্বুদ্ধিতার কারণেই।

আর আজ চিন পারস্পরিক সম্মত নিয়ন্ত্রণরেখাকেও সম্মান করছে না। তারা লাদাখের একাংশ দখল করে নিয়েছে। যদিও মোদির অসার মন্তব্য, কেউ আসেনি। চিনের জানা উচিত, আমরা নির্বাচন এলে তবেই সিদ্ধান্ত নিই।”  বরাবরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) কড়া সমালোচক প্রবীণ সুব্রহ্মণ্যম। বিশেষ করে কেন্দ্রের অর্থনৈতিক নীতির বিরুদ্ধে বরাবরই সরব হতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

গত এপ্রিলেই তিনি মন্তব্য করেছিলেন, গত ৮ বছরে দেশের অর্থনীতি থেকে জাতীয় নিরাপত্তা সবক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়েছে মোদি সরকার। কিন্তু এভাবে মোদি সরকার তথা বিজেপির বিরোধিতা করতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে? আসলে দু’বার মন্ত্রিসভার দায়িত্ব পেলেও মোদির নতুন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়নি তাঁর। সমালোচকদের দাবি, সেই কারণেই তিনি এভাবে সরব কেন্দ্রের বিরুদ্ধে।

এর আগেও পছন্দের মন্ত্রক না পেয়ে সরকারের সমালোচনা করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। গত বছর দলের জাতীয় কার্যসমিতির কমিটি থেকেও বাদ পড়তে হয়েছে ‘বিদ্রোহী’ সুব্রহ্মণ্যমকে। তারপর থেকেই বিরোধিতার সুর আরও চড়িয়েছেন তিনি।