আজ ‘কিস ডে’, অর্থাৎ বিশ্ব চুম্বন দিবসে জেনে নিন চুম্বনের এই ৭ গুণ

আজ ‘কিস ডে’, অর্থাৎ বিশ্ব চুম্বন দিবসে  জেনে নিন চুম্বনের এই ৭ গুণ

আজ ‘কিস ডে’। অর্থাৎ চুম্বন দিবস। ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে রঙিন দিন এটিই। চুম্বন দু’টি ভালবাসার মানুষের কাছে বিশেষ এক মাধ্যম যার দ্বারা আবেগ আরও দৃঢ় ভাবে প্রকাশ করা যায়। ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনটি চুম্বন দিবস হিসাবে পালিত হয় বিশ্ব জুড়ে।

এক অপরের গালে, ঠোটে, কপালে ভালবাসার চুম্বন এঁকে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এই দিনটিকে উদযাপন করেন। তবে চুম্বন যে শুধুই সম্পর্ক ভাল রাখতে কাজে আসে তা নয়। এটি ভাল রাখতে পারে আপনার মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যও। দেখে নেওয়া যাক চুম্বনের গুণ!

শরীরে ‘হ্যাপি হরমোন’  এর নিঃসরণ ঘটায় চুম্বন মানুষের স্নেহ, বন্ধন, ভালবাসার মানুষটির জন্য উদ্বেগ এই সব অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ফলে শরীরে অক্সিটোসিন, ডোপামিন এবং সেরোটোনিন নামক ‘হ্যাপি হরমোন’এর নিঃসরণ বেশি পরিমাণে ঘটে। এ ছাড়াও চুম্বন শরীরে থাকা কর্টিসোল নামক স্ট্রেস হরমোন কমাতে সক্ষম।

উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে শরীরে স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ কমে গেলে মানসিক অস্থিরতা অনেকটাই কমে যায়। যাঁরা মানসিক উদ্বেগের স্বীকার, একটা চুম্বন তাঁদের মনের অস্থিরতা অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে।

রক্তচাপ কমায় চুম্বনের সময় আপনার হৃদয়ের গতি বৃদ্ধি পেয়ে রক্তনালী আরও সচল হয়ে যায়। ফলে শরীরে রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং কিছু সময়ের জন্য হলেও রক্তচাপ হ্রাস পায়। যা আপনার হার্টের পক্ষে ভাল। মাথা যন্ত্রণাকে বিদায় শরীরে রক্ত চলাচাল ভাল থাকলে এবং রক্তচাপ কম থাকলে মাথার যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি পেতে পারেন। এ ছাড়া মানসিক উদ্বেগ থেকেও যে মাথার যন্ত্রণার সৃষ্টি হয় তার থেকেও মুক্তি দিতে পারে চুম্বন।

কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে ২০০৯ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যে সব দম্পতি একে অপরের সঙ্গে বার বার চুম্বনে আবদ্ধ হন তাঁদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা অন্যদের তুলনায় বেশি নিয়ন্ত্রণে থাকে। যার ফলে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়।

ক্যালরি কমাতে সাহায্য করে চুম্বনের সময় মুখের মাংসপেশীর যে নড়াচড়া ঘটে তাতে কিছু পরিমাণ ক্যালরি কমে যায়। ২ থেকে ২৬ ক্যালোরি কমতে পারে চুম্বনের দ্বারা। সবটাই নির্ভর করছে আপনার চুম্বনটি কতটা আবেগঘন তার উপর। সম্পর্ক দৃঢ় করে একটা চুম্বন ভালবাসার মানুষটির উপর বিশ্বাস, ভরসা কয়েক গুণ বারিয়ে দিতে পারে। এর ফলে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।