স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে সরকারি সাহায্য না মেলায় স্বেচ্ছামৃত্যু চাইছেন তৃণমূল নেতা

স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে সরকারি সাহায্য না মেলায়  স্বেচ্ছামৃত্যু চাইছেন তৃণমূল নেতা

মালদা- মালদার রতুয়া ২ ব্লকের আড়াইডাঙা পঞ্চায়েতের শিবপুর গ্রামের তৃণমূল নেতা ইমরান আলি।তিনি আবার তৃণমূলের বুথ সভাপতি। অসুস্থ অবস্থায়,প্রায় অনাহারে একলা ঘরে শয্যাশায়ী। সম্প্রতি করোনায় মৃত্যু হয়েছে বাবা মায়ের। একলা ইমরান লড়াই চালাচ্ছেন মৃত্যুর সঙ্গে।

 ছোটবেলায় পায়ে চোট লাগে সেই সময় চিকিৎসা ঠিক করে না হওয়ায় সেই চোটই এখন তাঁকে শয্যাশায়ী করে দিয়েছে। পা নিয়ে উঠতে পারেন না। শরীরেও বাসা বেঁধেছে রোগ, অপুষ্টির দৌলতে। ফোন করে লিখিতভাবে বার বার যোগাযোগ করেছেন নবান্নে। যোগাযোগ করেছেন রাজ্যের প্রথম সারির নেতাদের সঙ্গে।

সাংসদ, বিধায়কদের সঙ্গে কিন্তু কেউ গুরুত্ব দেয় নি তাঁর কথা। গ্রামের কিছু সহৃদয় মানুষ তাঁকে দেখাশোনা করছে অনিয়মিত ভাবে। তাঁদের সাহায্যে বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে ফিরে আসতে হয়েছে। স্বাস্থ্য সাথি কার্ডে চিকিৎসা হবে না সাফ জানিয়ে দিয়েছে।

এমনকি এই তৃণমূল নেতার অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর দূয়ারে রেশন প্রকল্পের সুবিধা থেকেও তিনি বঞ্চিত। বার বার জানিয়েও রেশন আসেনি দূয়ারে।তিনি জানান, নবান্ন থেকে তৃণমূল নেতা, সাংসদ, বিধায়ক এমনকি ব্লকের বিডিও সকলের সঙ্গেই বার বার যোগাযোগ করেও লাভ হয় নি।এখন স্বেচ্ছামৃত্যু ছাড়া আর পথ নেই।এই অভাব নিয়ে আর বেঁচে থাকতে চাননা ইমরান। এবার স্বেচ্ছামৃত্যু চাইছেন। নিজের স্বেচ্ছামৃত্যুর কথা লিখে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।