ত্রিপুরা পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের হতে আগরতলা থেকে গ্রেফতার দুই অপয়রাধী

ত্রিপুরা পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের হতে  আগরতলা থেকে গ্রেফতার দুই অপয়রাধী

 ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় বুধবার দুই অপরাধী গ্রেফতার হয়েছে। ত্রিপুরা পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ গত রাতে উষাবাজার এবং বিমানবন্দর এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে এই দু'জনকে পূর্ব আগরতলা থানায় নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অপরাধীদের। জানা গিয়েছে, তাদের আজ আদালতে তোলা হবে। যে দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের নাম রঞ্জন নাগ এবং শিবু মালাকার।

তাদের বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের কাছ থেকে টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়। এর পাশাপাশি আরও অনেক অপরাধ সম্পর্কিত অভিযোগ দু'জনের বিরুদ্ধে রয়েছে। রাত একটা নাগাদ রঞ্জন-শিবুকে থানায় আনা হয়। উল্লেখযোগ্য যে, সপ্তাহের প্রথমদিকে পুলিশ এবং ক্রাইম শাখা এই এলাকায় অভিযান চালিয়েছিল। তবে সেদিন কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

এদিকে, দু'জনকে গত রাতে আইজিএম হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়। গতরাতে অজয় দাস (Dsp of Crime Branch)এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন। এবং তিনিই জানান এ কথা। জানা যাচ্ছে, গত মাসেই দু'জন ঠিকাদার, একজন সমের এবং অন্যজন উড়িষ্যা থেকে ত্রিপুরায় এসেছিলেন দুটি ভিন্ন কাজের জন্যে tender জমা দিতে। কিন্তু চোখের নিমেষে যেন ঘটনা ঘটে গেল।

তাঁদের মধ্যে একজনকে অপরাধীরা অপহরণ করে, পরে আবার তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আর আরো একজন contractor-কে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। লুট করে নেয়া হয় সেই ব্যক্তির অর্থ এবং অন্যান্য জিনিস। বলা বাহুল্য, ত্রিপুরায় সম্প্রতি এমন বেশ কয়েকটি ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। সন্ত্রাসীর মাথা উঁচু হচ্ছে রাজ্যে। কয়েকজনকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে মেরেও ফেলা হয়েছে।

এখন পুলিশ অপরাধীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া শুরু করেছে। গ্রেপ্তারকৃত দু'জন এ জাতীয় জঘন্য অপরাধের সাথেই জড়িত। যদিও কয়েকমাস আগেই ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের কন্ঠে বিপ্লবী বাণী শোনা গিয়েছিল। তিনি বলেছেন, "একটা বড় সময় ত্রিপুরায় চাঁদাবাজি চলেছে।

কিন্তু বর্তমানে রাজ্যবাসী সেই চাঁদার শোষণ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। কৃষকরাও তা থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এখন কৃষকরা ক্ষেতে যান। তাঁদের আয় দ্বিগুণ হওয়ার রাস্তা প্রশস্ত হয়েছে"। ত্রিপুরা বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে উত্তপ্ত। শিক্ষকদের চাকুরি নেই, তাঁরা সমানে বিক্ষোভ, আন্দোলন করছেন। হতাশায়, অভাবের তাড়নায় আত্মহত্যা করেছেন অনেকে। আন্দোলনে অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছেন অনেকেই।