নদিয়া সীমান্ত থেকে সিভিক ভলেন্টিয়ারের হাতে আটক দুই অনুপ্রবেশকারী

নদিয়া সীমান্ত থেকে সিভিক ভলেন্টিয়ারের হাতে আটক দুই অনুপ্রবেশকারী

সীমান্ত থেকে সিভিক ভলেন্টিয়ারের হাতে আটক দুই অনুপ্রবেশকারী। কাঁটাতার পেরিয়ে এদেশে ঢোকার চেষ্টা করতেই ঘটে যায় বিপত্তি। ধরা পড়ে যায় সিভিক ভলেন্টিয়ারের হাতে। প্রশাসন সূত্রে খবর, রিপন ফরাজি ও আব্দুল কাদের মোল্লা। দু’জনই খুলনা জেলার বাসিন্দা। বাংলাদেশ থেকে শিমুলিয়ার মহেশপুর হয়ে তারা ভারতে প্রবেশ করে। উক্ত দু’জনের সঙ্গে লিঙ্ক ম্যান হিসেবে কাজ করছিল কুকরাদা গ্রামের চাপড়া থানার রবিউল মণ্ডল। জানা গিয়েছে, কর্তব্যরত ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারের প্রথম সন্দেহ হয় এদের উপর।

পরে কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ায় আটক করা হয় তাদের। ইতিমধ্যে থানায় খবর পৌঁছে যায়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই অনুপ্রবেশকারীরা স্বীকার করে যে তারা বাংলাদেশি। এরপর ভীমপুর থানা তাদের দু’জনকে গ্রেফতার করে। তবে কী কারণে বাংলাদেশ থেকে এসছে সেই বিষয়ে তদন্ত করছে ভীমপুর থানার পুলিশ। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই মেখলিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে এদেশে প্রবেশ করে গ্রেফতার হন সোহেল রানা।

তিনি নেপালের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পরবর্তীতে তদন্তে দেখা যায় তিনি বাংলাদেশের পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্তা। সে দেশে ১,১০০ কোটি টাকা আর্থিক দুর্নীতির একাধিক মামলায় অভিযুক্ত তিনি। তার পরেই নড়েচড়ে বসে ভারতের পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদ বাহারুল নামে আর এক ব্যক্তি ভারতে আসেন। শিলিগুড়িতে ক'দিন থেকে, তিনি কলকাতা যাচ্ছেন জানিয়ে হোটেল ছেড়ে চলে যান।

এর দিন তিনেক পর ফের ফিরে আসেন তিনি। জানান গৌহাটি থেকে ফিরছেন। আদতে বাংলাদেশের বাসিন্দা এবং তার কাছে বৈধ পাসপোর্টও রয়েছে। তবে পুলিশের ধারণা সোহেল রানাকে কোনও বার্তা পৌঁছে দিতে বা সোহেল রানার কাছ থেকে কোনও গোপন তথ্য জানতেই তিনি শিলিগুড়ি এসে ঘাঁটি গেড়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিশ।

এখানেই শেষ নয়। ইন্দো-বাংলা সীমান্তের এক গ্রামে গা ঢাকা দিয়ে থাকা দুই শিশু সহ সাত বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। তাদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর দিনাজপুরের সোলপাড়া এলাকায়।পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহে ভারত থেকে বাংলাদেশে চোরাপথে যাওয়ার সময় দুই ব্যক্তিকে বিএসএফ আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই উঠে আসে আরও সাত বাংলাদেশি অবৈধভাবে ভারতে এসে গা ঢাকা দিয়েছে। এবং তারা আশ্রয় নিয়েছে সোলপাড়া এলাকায়।