মারুতির ইঞ্জিনে দিয়ে বাইক বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিলেন দুই দেশি ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র

মারুতির ইঞ্জিনে দিয়ে বাইক বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিলেন দুই দেশি ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র

আজবাংলা      আসলে দুই ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া সাধ করে এই বাইক গড়েপিটে নিয়েছে। বাইকের ইঞ্জিনটি তৈরি পুরনো মারুতি সুজুকি ৮০০ গাড়ির ইঞ্জিন দিয়ে। আপাতত নেটদুনিয়া মজে আছে ভারতের দুই হবু ইঞ্জিনিয়ারের কীর্তিতেই। পাঞ্জাবের ভোগপুর জেলার গেহলরান গ্রামের দুই বন্ধু দাভিন্দর সিং এবং হরসিমরং সিং। নিজেদের স্বপ্ন সাকার করতে ২ লক্ষ টাকা খরচ করে ফেলেছেন তাঁরা।

একবার রাস্তায় বের হলে কেউ চোখ ফেরাতে পারবে না। তার নাম ড্রাকুলা এস ৮০০।কী ভাবে গড়ে উঠল গাড়িটি? দাভিন্দর জানাচ্ছেন, ড্রাকুলা S-800 গাড়িটি চারটি নানা ধরনের বাইক এবং গাড়ির যন্ত্রাংশে তৈরি। ইঞ্জিনটি যেমন মারুতি ৮০০-এর। তেমনই রেডিয়েটার ব্যবহার হয়েছে টাটা এস-এর। আবার ব্রেক, সাসপেনশন, হ্যান্ডেল, সিট এগুলির জন্য ব্যবহৃত হয়েছে বাজাজ পালসার।

স্পি়ডমিটারটি আবার রয়েল এনফিল্ড বুলেটের।দাভিন্দারের কথায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০০-২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্পি়ড উঠতে পারে। এক লিটার তেলে আপাতত মাইলেজ পাওয়া যাচ্ছে ২০ কিলোমিটারর।কম বয়েস থেকেই বাইক ভালবাসতেন হরসিমরং ও দাভিন্দর। হারলে ডেভিডসন কেনার স্বপ্ন ছিল তাঁদের। কিন্তু সাধ্যে কুলোয়নি। কিন্তু জমানো টাকা আর বুদ্ধির বলে তাঁরা যে গাড়িটি বানিয়েছেন তা যে কোনও অংশেই হার্লে ডেভিডসনের থেকে কম নয়,

সে কথা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই কারও।লকডাউনে সময়ে ওঁরা ৩৫ হাজার টাকা খরচ করে একটি গ্যারাজ ভাড়া করে গাড়িটি বানায়। গাড়িটি তৈরি করতে সময় লাগে এক মাসেরও বেশি। লকডাউনের অবসরই এই অসাধ্যসাধনে সাহায্য করেছে, এক বাক্যে মেনে নিচ্ছেন দুই বন্ধুই। গাড়িটির জন্য পেটেন্ট চাইছেন ওঁরা, কারণ ভারতে যন্ত্রাংশ জুড়ে এভাবে গাড়ি বানানেও আইনত নিষিদ্ধ।