ঢাকা সফর যাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন ই. বিগান

ঢাকা সফর যাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন ই. বিগান

ঢাকা    বাংলাদেশর  ঢাকা সফর যাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন ই. বিগান। ঢাকা সফরের সময় স্টিফেন ই. বিগানের কাছে রোহিঙ্গা ইস্যু, অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ ও ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে সহায়তামূলক আলোচনা হবে  আশাকরছে বাংলাদেশ।  এবং রোহিঙ্গাদের দ্রুত মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে বিশ্বের বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় সমর্থন চাইবে বাংলাদেশ।

১২ অক্টোবর বাংলাদেশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে। এটা বিশ্ববাসীর দায়। রোহিঙ্গাদের অবশ্যই ফিরিয়ে নিতে হবে।’ তিনি বলেন, ওই কর্মকর্তার সফরকালে অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ ও ভিসা সংক্রান্ত বিষয়েও সহায়তা চাইবে বাংলাদেশ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন ই. বিগান ভারত সফর শেষে আজ ঢাকায় এসে পৌঁছাবেন। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলমসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ছেড়ে যাবেন।এ সফরে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অংশীদারত্বের বিষয়টি পুনঃনিশ্চিত করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্রের কার্যালয় সূত্র জানায়, স্টিফেন ই. বিগানের বাংলাদেশ সফরের সময় সবার সমৃদ্ধির জন্য একটি স্বাধীন, অবাধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা করা হবে।কোভিড-১৯ মোকাবিলা ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রচেষ্টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের অংশীদারত্ব ও যৌথ সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হবে।

স্টিফেন ই. বিগান ভারতের নয়াদিল্লি সফরে আছেন। সেখানে তিনি দেশটির ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং ভারত-যুক্তরাষ্ট্র ফোরামে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেবেন।এর আগে গত ৬ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওয়ের সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্করের বৈঠক হয়।

এ বছরের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপ ‘ইউএস-ইন্ডিয়া ২+২ মিনিস্ট্রিয়াল ডায়লগের’ প্রাক্কালে স্টিফেন ই. বিগান ভারত সফরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সমন্বিত বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলসহ বিশ্বজুড়ে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে একসাথে কীভাবে কাজ করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করবেন।