ইজরায়েলের জানা অজানা তথ্য

ইজরায়েলের জানা অজানা তথ্য

ইজরায়েল Israel পৃথিবীর একমাত্র ইহুদী রাষ্ট্র।ইজরায়েল নিয়ে একটি কথা প্রচলিত যে, এই দেশটি সম্পর্কে মানুষ ততটুকুই জানে যতটুকু তারা জানায়। এ যেন রহস্যে ঘেরা এক দেশ।প্রতিদিন যারা খবরের কাগজ পড়ে থাকেন তাদের বেশিরভাগই ইসরাইল দেশটির সাথে পরিচিত, কেননা বর্তমানে খবরের কাগজ খুললেই হদিস মিলে ইজরায়েল নামক দেশটির নানা যুদ্ধ বিপর্যয়ের খবর।

তবে সেদিকে যাচ্ছি না আমরা, যুদ্ধ বিপর্যয় এই সকল বিষয় বাদ দিলেও কিন্তু দেশটি সম্পর্কে নতুন করে জানার অনেক কিছুই আছে যা আমাদের সম্পূর্ণ অজানা। চলুন জেনে নেয়া যাক ইসরাইল সম্পর্কে জানা অজানা কিছু তথ্য –ইজরায়েল দেশটি পৃথিবীর সর্বনিম্ন অঞ্চলে অবস্থিত। এর প্রমাণ পাওয়া যায় মৃত সাগর বা ‘দি ডেড সি’ মাধ্যমে, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩১৫ ফুট নীচে অবস্থিত।

তবে মজার ব্যাপার হলো এই সমুদ্রে ডুবে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই, এর কারণ হলো সমুদ্রের জল ঘনত্ব এবং লবণ মাত্রার তীব্রতা।ইজরায়েলের প্রাচীন ভূমিতে রয়েছে হাজার হাজার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। এর মধ্যে শুধুমাত্র জেরুজালেমেই রয়েছে ২০০০ স্থান। তাই আপনি চাইলে ঘুরে আসতে পারেন এই সকল প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে।

ইজরায়েলের নারীরা বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী বলে খ্যাত। তারা স্বভাবে অন্যান্য দেশের নারীর তুলনায় বেশ উগ্র। টাকার জন্য তারা সব করতে পারে। এমনকি পতিতাবৃত্তিও। মিশেল রোজেন নামক ইসরায়েলের এক নারী সাংসদ এ তথ্য প্রকাশ করেন। এসব নারীরা বিভিন্ন দেশের ক্ষমতাধর রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে অবাধে মেলামেলা করার সুযোগ খোঁজেন। মূলত আরব নেতাদের নৈতিকভাবে ধ্বংস করতে ও ইসরায়েল বিরোধিতার পথ থেকে দূরে রাখতে তারা এই কৌশল গ্রহণ করে।

ইজরায়েলের ‘তেল আভিভ’ স্থানে ১০০ টির বেশি সুশি রেস্তোরাঁ রয়েছে। যা টোকিও এবং নিউ ইয়র্ক এর পর মাথাপিছু সবচেয়ে বেশি সুশি রেস্টুরেন্টের শহর। মধ্যপ্রাচ্যের ফিলিস্তিন নামের যে এলাকা, সেটি ছিল অটোমান সাম্রাজ্যের অধীন। কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অটোমানদের পরাজয়ের পর ব্রিটেন ফিলিস্তিনের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তখন ফিলিস্তিনে যারা থাকতো তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল আরব, সেই সঙ্গে কিছু ইহুদী, যারা ছিল সংখ্যালঘু।

উনিশশো বিশ থেকে ১৯৪০ দশকের মধ্যে ইউরোপ থেকে দলে দলে ইহুদীরা ফিলিস্তিনে যেতে শুরু করে এবং তাদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ইউরোপে ইহুদী নিপীড়ন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভয়ংকর ইহুদী নিধনযজ্ঞের পর সেখান থেকে পালিয়ে এরা নতুন এক মাতৃভূমি তৈরির স্বপ্ন দেখছিল।

ফিলিস্তিনে তখন ইহুদী আর আরবদের মধ্যে সহিংসতা শুরু হলো, একই সঙ্গে সহিংসতা বাড়ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধেও।উনিশশো সাতচল্লিশ সালে জাতিসংঘে এক ভোটাভুটিতে ফিলিস্তিনকে দুই টুকরো করে দুটি পৃথক ইহুদী এবং আরব রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হলো। জেরুজালেম থাকবে একটি আন্তর্জাতিক নগরী হিসেবে।