পুজোর নতুন ডেস্টিনেশন মাগুরমারি ইকো ট্রাভেলার্স স্পট

পুজোর নতুন ডেস্টিনেশন মাগুরমারি ইকো ট্রাভেলার্স স্পট

 পাহাড়, জঙ্গল ঘেরা আরেক পুজো স্পেশাল ডেস্টিনেশন।  পুজোর গন্তব্য কালিম্পং হোক বা গরুমারা, একবার ছুঁয়ে যেতেই পারেন রাজ্য পর্যটন দফতরের নয়া উদ্যোগ মাগুরমারি। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে মাত্র বিয়াল্লিশ কিলোমিটার।  আপনার জন্য অধীর অপেক্ষায় এই ভার্জিন বিউটি।সবুজ চারদিক। একদিকে চা-বাগান। অন্যদিকে ঘন অরণ্য। ঢেউ খেলানো ধান খেত পেরিয়ে।

অদূরে তিস্তা ব্যারেজ।  হাতছানি দিয়ে ডাকছে গরুমারা, চাপড়ামারি অভয়ারণ্য। গা লাগোয়া লাভা, লোলেগাঁও। এর মাঝেই গড়ে উঠেছে নতুন পর্যটন কেন্দ্র মাগুরমারি ইকো ট্রাভেলার্স স্পট। উদ্যোগে রাজ্যের পর্যটন দফতর। আপাতত চারটি কটেজ নিয়ে শুরু হয়েছে পথ চলা। শিলিগুড়ি থেকে মাত্র ঘণ্টাখানেকের পথ।  ডুয়ার্স হয়ে অসমগামী ট্রেনে ওদলাবাড়ি স্টেশনে নেমে সড়কপথে আধ ঘণ্টার দূরত্ব।

পৌঁছে যাওয়া যাবে ঠিকানায়।কটেজে থেকে ডে ভিজিটে গরুমারা ও চাপড়ামারি ন্যাশনাল পার্কে। মাত্র আধ ঘণ্টার পথ। পাশেই তিস্তা ব্যারেজ। সামান্য দূরেই মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প গজলডোবা ট্যুরিজম হাব। দিনভর ইতিউতি ঘুরে সন্ধে নামতেই ফিরে আসা কটেজে।ঘরে ফেরা হাজারও পরিযায়ী পাখির কলতান।  সঙ্গে ওঁরাও জনজাতির নাচ-গান।  

মাদলের তাল। আদিবাসী নাচের ছন্দ। তখন অনুরণন তুলেছে পাহাড়ে। মাগুরমারির রাত ধীরে ধীরে আরও মোহময়ী হয়ে উঠছে।পরিবেশ ঘরোয়া। স্থানীয় আদিবাসীদের হাতে তৈরি খাবার। মন ভাল করার নানান রসদ মজুদ।  ডবল বেড এসি কটেজের ভাড়া পনেরশো টাকা। এখানে এক-দু’রাত রাত কাটিয়ে। ফের বেড়িয়ে পরুন। ঝালং, বিন্দু কিংবা ঝাণ্ডি হয়ে লাভা, লোলেগাও ছুঁয়ে পৌঁছে যাওয়া কালিম্পঙে।তাহলে আর দেরি কেন?  ডাক দিয়েছে মাগুরমারি। এখন ব্যাকপ্যাকের কাঁধে তোলার অপেক্ষা।