রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর উপায়

রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর উপায়

বয়স বাড়ার সঙ্গে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে থাকে। যাদের বয়স ২০ বছর বা তার বেশি, তাদের রক্তে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর একবার পরীক্ষা করে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা দেখা উচিত।  শরীরে কোলেস্টেরল বাড়লেই দেখা দেয় নানা ধরনের উটকো ঝামেলা। বিশেষ করে রক্তনালী পুরু হয়ে ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাক। কোলেস্টেরল হচ্ছে একধরনের চর্বিজাতীয় উপাদান।

প্রধানত, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ডিমের কুসুম, মাংস, নির্দিষ্ট কিছু ফল ও সবজি ইত্যাদি থেকে মেলে। তবে এমন কিছু খাবার আছে যা কিনা উল্টো শরীর থেকে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। তা হল–

ওটস: ওটসের স্বাস্থ্যগুণের গোপন উৎস দ্রবণীয় আঁশ, যা কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে ধুয়ে বের করে দেয়। গবেষণায় জানা গেছে, দ্রবণীয় আঁশনির্ভর খাদ্যাভ্যাস শরীরের মোট কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারে ১০ থেকে ১৫ একক পর্যন্ত।

শিম: শিমজাতীয় যতো খাবার আছে সবই ফাইবারসমৃদ্ধ।। এটি খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) কমাতে সাহায্য করে।

তৈলাক্ত সামুদ্রিক মাছ: সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন অন্তত তৈলাক্ত মাছ খান। সামুদ্রিক মাছ হলে আরও ভালো। এতে আছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা রক্তে ক্ষতিকর ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে।

ঢেঁড়শ: ঢেঁড়শ মোটামুটি সবারই পছন্দ। এতে রয়েছে কম ক্যালোরি, বেশি ফাইবার। তবে এটি অল্প তেলে রান্না করে খেলেই ভালো ডুবো তেলে ভাজা ঢেঁড়শ আবার হিতে-বিপরীত ঘটাবে।

গ্ৰিন টি : গ্ৰিন টি হজম করতে সহায়ক এবং বাজারে সহজে পাওয়া যায়। সবুজ চায়ে উপস্থিত কিছু অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলি আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।

বাদাম: প্রোটিন, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর একক-সম্পৃক্ত ফ্যাট, ভিটামিন এবং অন্যান্য অপরিহার্য পুষ্টি-উপাদান উপস্থিত থাকার কারণে আখরোট বাদাম, কাঠবাদাম এবং কাজুবাদাম LDL কোলেস্টেরল কমায়।

ফল: নাশপাতি, আপেল, কমলালেবু, বেরি, আঙুর এবং ডালিমের মতো ফলগুলি কোলেস্টেরলকে আরও ভালভাবে নিয়ন্ত্রিত করতে সাহায্য করে কারণ তারা স্ট্যানোলস নামে পরিচিত কোলেস্টেরল-কমানর যৌগগুলি শরীরে নির্গত হতে সহায়তা করে।

রসুন: বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে কার্যকর এই মসলা। গবেষণা মতে, রক্তনালীর গায়ে কোলেস্টেরেল জমা হওয়া রোধ করে। ফলে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তনালী বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কমে।

মাছের তেল – মাছের তেল অনেক ক্ষেত্রেই ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মাছের তেলে রয়েছে ওমেগা ৩ পলি অ্যানস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড যা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল হ্রাস করে একইসাথে ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে।

আরো পড়ুন      জীবনী  মন্দির দর্শন  ইতিহাস  ধর্ম  জেলা শহর   শেয়ার বাজার  কালীপূজা  যোগ ব্যায়াম  আজকের রাশিফল  পুজা পাঠ  দুর্গাপুজো ব্রত কথা   মিউচুয়াল ফান্ড  বিনিয়োগ  জ্যোতিষশাস্ত্র  টোটকা  লক্ষ্মী পূজা  ভ্রমণ  বার্ষিক রাশিফল  মাসিক রাশিফল  সাপ্তাহিক রাশিফল  আজ বিশেষ  রান্নাঘর  প্রাপ্তবয়স্ক  বাংলা পঞ্জিকা