ব্রাহ্মণের পৈতার নয়টি গুণ কি কি

ব্রাহ্মণের পৈতার নয়টি গুণ কি কি

১২ বছর বয়স হয়ে গেলে, ব্রাহ্মণ ছেলেদের পৈতে পরতে হয়। সেইজন্য একটি বড় অনুষ্ঠানও করা হয়। যাকে বলা হয় উপণয়ন। পৈতেটা ব্রাহ্মণ ছেলেদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পৈতার আরেক নাম যজ্ঞোপবীত বা প্রতিজ্ঞাসূত্র। প্রতিটি পৈতা তিনটি আলাদা সূতোকে গিঁট দিয়ে বেঁধে তৈরী করা হয়,এই গিঁটবন্ধনকে ব্রহ্মগ্রন্থি বলা হয়। এই তিনটি সূতো হল ঈশ্বর নির্দেশিত প্রতিটি মানুষের প্রতি তিনটি দায়িত্বের প্রতীক বা ঋণ।

১, দেব বা ঈশ্বর ঋণ। ২, পিতৃ-মাতৃ ঋণ। ৩, ঋষি ঋণ। পৈতাতে পাঁচটি গিঁট থাকে। এই দায়িত্ব পালন করতে গেলে পাঁচটি বাধা আসে। সেটি হল কাম, ক্রোধ,লোভ,হিংসা, মোহ। এইগুলিকে জয় করবার জন্য বা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য পাঁচটি গিঁট দেওয়া থাকে। পৈতা বাম কাঁধ থেকে ঝুলিয়ে ডান দিকের কোমর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। প্রতিটি সূতো যেন হৃদপিন্ডের উপর দিয়ে যায়,এর মানে হল প্রতিটি দায়িত্ব যেন হৃদয় থেকে পালন করা হয়। আট বছর থেকে বারো বৎসর বয়সের মধ্যে উপনয়নের মাধ্যমে এই পৈতা প্রাপ্ত হয়।

(জন্ম হইতে ৭বৎসর ৩ মাস থেকে ১৫বৎসর ৩মাস সামবেদীয় ক্ষেত্রে)এছারা তান্ত্রিকদের গুরু দ্বারা পৈতা প্রাপ্ত হয়।(বৈষ্ণবদেরও গুরুপৈতা আছে) এবার জানব পৈতার নয়টি সূতোর কি গুণ। পৈতার প্রতিটি ভাগে তিনটি দন্ডি থাকে,যার নাম ত্রিদন্ডি। নয়টি সুতোর আলাদা আলাদা গুণ আছে, যার জন্য নবগুণ। ১, সৃষ্টিকার্য্য সম্পাদন করা। ২, বিশ্বে ধর্ম ও শিক্ষা সম্পাদন করা। ৩, স্হিরতা,ধীরতা ও সংহার কার্য্য সম্পাদন করা। ৪, জগতের অকল্যাণকর কাজ ধ্বংস করা। ৫, সমস্ত জীর্ণতা দূর করে জগতে নির্মল-সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করা।

৬, দান-ধ্যানের মাধ্যমে জগতকে পাপমুক্ত করা। ৭, ন্যায় বিচার করে দন্ডহস্তগুণ হওয়া। ৮, জ্ঞানী হয়ে জ্ঞানশক্তি প্রকাশ করে অন্ধকারকে আলোকিত করা। ৯, বল-বীর্য্যবান হওয়া ও তেজদৃপ্ততা প্রকাশ করা। এই নবগুনণের অধিষ্ঠাত্রী দেবতারা হলেন ১।ব্রহ্মা, ২।বিষ্ণু, ৩।শিব, ৪।বাসুকি, ৫।পবন, ৬।অগ্নি, ৭।শুক্র, ৮।সূর্য্য, ৯।যম। নয়টি সূতো পরলেই ব্রাহ্মণ হওয়া যায়না, বলা যায় দ্বিজ সন্তান। ব্রাহ্মণহতে গেলে এই নবগুণের অধিকারী হতে হয়। কিসের এতো অহংকার। ঈশ্বরের সেই প্রতিজ্ঞার কথা কজন মানছে।

পরজন্মে এর ফলতো পেতেই হবে। এখনো সময় আছে অহং ত্যাগ করে প্রকৃত ব্রহ্মজ্ঞানী হও। এতে সমগ্রজাতির মঙ্গল। সমাজের মঙ্গল।(সূত্র)কার্পাসমুপবীতংস্যাদ্ বিপ্রস্যোর্দ্ধবৃতং ত্রিবৎ।শণতন্তুময়ং রাজ্ঞো বৈশ্যস্যাবিকসূত্রকম্।।(দন্ডির সংখ্যা)ব্রহ্মচারিণ একং স্যাৎ স্নাতস্য দ্বে বহূনি চ। তৃতীয়মুত্তরীয়ং বা বস্ত্রাভাবে তদিষ্যতে।।(পরিধান মন্ত্র)।প্রজাপতির্ঋষিঃগায়ত্রীচ্ছন্দোযজ্ঞোপবীতংদেবতা যজ্ঞোপবীতপরিধাপনে বিনিয়োগঃ।ওঁ যজ্ঞোপবীত মসি,যজ্ঞস্য ত্বা যজ্ঞোপবীতেনোপনেহ্যামি।।

(পুরানোটা পাদিয়ে নামিয়ে একতার ছিঁড়ে)এতাবদ্ দিনপর্য্যন্তং ব্রহ্মত্বংধারিতংময়া।জীর্ণত্বাৎ ত্বৎ পরিত্যাগে গচ্ছসূত্র যথাসুখম্।। (তৈরী) ওঁ বিষ্ণুরোং তৎসদ্ অদ্য অমুকেমাসি অমুকেপক্ষে অমুকতিথৌ অমুকগোত্রঃশ্রীআশিসকল্পদেবর্মা অমুকগোত্রস্য অমুক-অমুক-অমুকপ্রবরস্য শ্রীঅমুকদেবশর্মণঃ যজ্ঞোপবীতস্য দন্ডি/(গ্রন্থি)দানমহং করিষ্যামি(গ্রন্থি)।ওঁগণপতয়ে নমঃ,ওঁ ব্রহ্মণে নমঃ,ওঁ বিষ্ণবে নমঃ,ওঁ নমঃ শিবায়,ওঁ দুর্গায়ৈ নমঃ।(কখন পৈতে পাল্টানো হবে)।উপাকর্মণি সম্পূর্ণে মৃতকে-সুতকে-তথা।গুণচ্ছেদে-বিবাহে চ, নূতনংপরিকল্পয়েৎ।।

(অনেকেইপূরকপিন্ডদিনে পাল্টানোর পরেও শ্রাদ্ধ দিনেও পাল্টান যাহা অশাস্ত্রীয় ও গর্হিত)।বিদ্যাবারিধিরমতে-ততঃ শিখাবর্জং কেশশ্মশ্রুনখবাপনং কারয়িত্বা স্নাত্বা,পরিহিতে বাসসী নাপিতাদিভ্যো দত্বা বাগ্ যতো নবং শুভ্রং বাসোযুগং যজ্ঞোপবীতঞ্চ পরিধায়,গাং সুবর্ণনঞ্চ স্পৃশেৎ।নিজেগেঁথে মালা পরতে নাই,নিজেচন্দনবেটে পরতে নাই,নাপিতের গৃহে ক্ষৌরকরতে নাই,নিজেপৈতেতৈরী করে পরতে নাই,তাই পরস্মৈপদীপদ ব্যাবহৃত হয়েছে)।(স্বনির্মিতংধৃতংমাল্যং,স্বয়ংনিঘৃষ্টচন্দনং।নাপিতস্যগৃহেক্ষৌর,শক্রাদপিহরেচ্ছ্রিয়ম্।।) শ্রীঅাশিসকল্পদেবশর্মা।

কৃষ্ণাত্রেয়গোত্রীয় মধ্যশ্রেণীয়।পৈতাঃঃ পৈতার আরেক নাম যজ্ঞোপবীত বা প্রতিজ্ঞাসূত্র। প্রতিটি পৈতা তিনটি আলাদা সূতোকে গিঁট দিয়ে বেঁধে তৈরী করা হয়,এই গিঁটবন্ধনকে ব্রহ্মগ্রন্থি বলা হয়। এই তিনটি সূতো হল ঈশ্বর নির্দেশিত প্রতিটি মানুষের প্রতি তিনটি দায়িত্বের প্রতীক বা ঋণ। ১, দেব বা ঈশ্বর ঋণ। ২, পিতৃ-মাতৃ ঋণ। ৩, ঋষি ঋণ। পৈতাতে পাঁচটি গিঁট থাকে। এই দায়িত্ব পালন করতে গেলে পাঁচটি বাধা আসে। সেটি হল কাম, ক্রোধ,লোভ,হিংসা, মোহ।

এইগুলিকে জয় করবার জন্য বা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য পাঁচটি গিঁট দেওয়া থাকে। পৈতা বাম কাঁধ থেকে ঝুলিয়ে ডান দিকের কোমর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। প্রতিটি সূতো যেন হৃদপিন্ডের উপর দিয়ে যায়,এর মানে হল প্রতিটি দায়িত্ব যেন হৃদয় থেকে পালন করা হয়। আট বছর থেকে বারো বৎসর বয়সের মধ্যে উপনয়নের মাধ্যমে এই পৈতা প্রাপ্ত হয়। (জন্ম হইতে ৭বৎসর ৩ মাস থেকে ১৫বৎসর ৩মাস সামবেদীয় ক্ষেত্রে)এছারা তান্ত্রিকদের গুরু দ্বারা পৈতা প্রাপ্ত হয়।(বৈষ্ণবদেরও গুরুপৈতা আছে) এবার জানব পৈতার নয়টি সূতোর কি গুণ।

পৈতার প্রতিটি ভাগে তিনটি দন্ডি থাকে,যার নাম ত্রিদন্ডি। নয়টি সুতোর আলাদা আলাদা গুণ আছে, যার জন্য নবগুণ। ১, সৃষ্টিকার্য্য সম্পাদন করা। ২, বিশ্বে ধর্ম ও শিক্ষা সম্পাদন করা। ৩, স্হিরতা,ধীরতা ও সংহার কার্য্য সম্পাদন করা। ৪, জগতের অকল্যাণকর কাজ ধ্বংস করা। ৫, সমস্ত জীর্ণতা দূর করে জগতে নির্মল-সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করা। ৬, দান-ধ্যানের মাধ্যমে জগতকে পাপমুক্ত করা। ৭, ন্যায় বিচার করে দন্ডহস্তগুণ হওয়া। ৮, জ্ঞানী হয়ে জ্ঞানশক্তি প্রকাশ করে অন্ধকারকে আলোকিত করা। ৯, বল-বীর্য্যবান হওয়া ও তেজদৃপ্ততা প্রকাশ করা। এই নবগুনণের অধিষ্ঠাত্রী দেবতারা হলেন ১।ব্রহ্মা, ২।বিষ্ণু, ৩।শিব, ৪।বাসুকি, ৫।পবন, ৬।অগ্নি, ৭।শুক্র, ৮।সূর্য্য, ৯।যম।

নয়টি সূতো পরলেই ব্রাহ্মণ হওয়া যায়না, বলা যায় দ্বিজ সন্তান। ব্রাহ্মণহতে গেলে এই নবগুণের অধিকারী হতে হয়। কিসের এতো অহংকার। ঈশ্বরের সেই প্রতিজ্ঞার কথা কজন মানছে। পরজন্মে এর ফলতো পেতেই হবে। এখনো সময় আছে অহং ত্যাগ করে প্রকৃত ব্রহ্মজ্ঞানী হও। এতে সমগ্রজাতির মঙ্গল। সমাজের মঙ্গল।(সূত্র)কার্পাসমুপবীতংস্যাদ্ বিপ্রস্যোর্দ্ধবৃতং ত্রিবৎ।শণতন্তুময়ং রাজ্ঞো বৈশ্যস্যাবিকসূত্রকম্।।(দন্ডির সংখ্যা)ব্রহ্মচারিণ একং স্যাৎ স্নাতস্য দ্বে বহূনি চ। তৃতীয়মুত্তরীয়ং বা বস্ত্রাভাবে তদিষ্যতে।।(পরিধান মন্ত্র)।

প্রজাপতির্ঋষিঃগায়ত্রীচ্ছন্দোযজ্ঞোপবীতংদেবতা যজ্ঞোপবীতপরিধাপনে বিনিয়োগঃ।ওঁ যজ্ঞোপবীত মসি,যজ্ঞস্য ত্বা যজ্ঞোপবীতেনোপনেহ্যামি।।(পুরানোটা পাদিয়ে নামিয়ে একতার ছিঁড়ে)এতাবদ্ দিনপর্য্যন্তং ব্রহ্মত্বংধারিতংময়া।জীর্ণত্বাৎ ত্বৎ পরিত্যাগে গচ্ছসূত্র যথাসুখম্।। (তৈরী) ওঁ বিষ্ণুরোং তৎসদ্ অদ্য অমুকেমাসি অমুকেপক্ষে অমুকতিথৌ অমুকগোত্রঃশ্রীআশিসকল্পদেবর্মা অমুকগোত্রস্য অমুক-অমুক-অমুকপ্রবরস্য শ্রীঅমুকদেবশর্মণঃ যজ্ঞোপবীতস্য দন্ডি/(গ্রন্থি)দানমহং করিষ্যামি(গ্রন্থি)।

ওঁগণপতয়ে নমঃ,ওঁ ব্রহ্মণে নমঃ,ওঁ বিষ্ণবে নমঃ,ওঁ নমঃ শিবায়,ওঁ দুর্গায়ৈ নমঃ।(কখন পৈতে পাল্টানো হবে)।উপাকর্মণি সম্পূর্ণে মৃতকে-সুতকে-তথা।গুণচ্ছেদে-বিবাহে চ, নূতনংপরিকল্পয়েৎ।।(অনেকেইপূরকপিন্ডদিনে পাল্টানোর পরেও শ্রাদ্ধ দিনেও পাল্টান যাহা অশাস্ত্রীয় ও গর্হিত)।বিদ্যাবারিধিরমতে-ততঃ শিখাবর্জং কেশশ্মশ্রুনখবাপনং কারয়িত্বা স্নাত্বা,পরিহিতে বাসসী নাপিতাদিভ্যো দত্বা বাগ্ যতো নবং শুভ্রং বাসোযুগং যজ্ঞোপবীতঞ্চ পরিধায়,গাং সুবর্ণনঞ্চ স্পৃশেৎ।নিজেগেঁথে মালা পরতে নাই,নিজেচন্দনবেটে পরতে নাই,নাপিতের গৃহে ক্ষৌরকরতে নাই,নিজেপৈতেতৈরী করে পরতে নাই,তাই পরস্মৈপদীপদ ব্যাবহৃত হয়েছে)।(স্বনির্মিতংধৃতংমাল্যং,স্বয়ংনিঘৃষ্টচন্দনং।নাপিতস্যগৃহেক্ষৌর,শক্রাদপিহরেচ্ছ্রিয়ম্।।) শ্রীঅাশিসকল্পদেবশর্মা।কৃষ্ণাত্রেয়গোত্রীয় মধ্যশ্রেণীয়।

গীতায় বলা হইয়াছে-
চাতুর্বর্ণ্যং ময়া সৃষ্টং গুণকর্ম বিভাগশঃ।
তস্য কর্তারমপি বিদ্ব্যকর্তারম্যয়ম।। গীঃঅঃ৪শ্লোক ১৩

অনুবাদঃ বর্ণচতুর্ষ্টায় গুণ ও কর্মের বিভাগ অনুসারে আমি সৃস্ট করিয়াছি বটে, কিন্তু আমি উহার সৃষ্টিকর্তা হইলে ও আমাকে অকর্তাও বিকাররহিত বলিয়াইজানিও। এখানে কৃষ্ণ কর্তা হলেও আবার অকর্তা বলার কারন হলো তিনি কর্তা হলেও উহাতে লিপ্ত হই নাই বলেই অকর্তা । এখানে গুণ বলতে সত্ত্বঃ রজঃ তমঃ এই তিন গুণ বুঝায় যাঁদের নিকট সত্ত্বগুণ আছে সত্ত্বঃ গুণ প্রধান

আরো পড়ুন      জীবনী  মন্দির দর্শন  ইতিহাস  ধর্ম  জেলা শহর   শেয়ার বাজার  কালীপূজা  যোগ ব্যায়াম  আজকের রাশিফল  পুজা পাঠ  দুর্গাপুজো ব্রত কথা   মিউচুয়াল ফান্ড  বিনিয়োগ  জ্যোতিষশাস্ত্র  টোটকা  লক্ষ্মী পূজা  ভ্রমণ  বার্ষিক রাশিফল  মাসিক রাশিফল  সাপ্তাহিক রাশিফল  আজ বিশেষ  রান্নাঘর  প্রাপ্তবয়স্ক  বাংলা পঞ্জিকা