রাশিচক্রের প্রভাবে কোন গ্রহের প্রভাবে কেমন চাকরি পেতে পারেন আপনি

রাশিচক্রের প্রভাবে কোন গ্রহের প্রভাবে কেমন চাকরি পেতে পারেন আপনি

রাশিচক্রের দ্বাদশ ভাবের দশম ভাব থেকে কর্মের বিচার করা হয়। আমাদের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে কর্ম স্থানটিও নির্দিষ্ট হয়ে গিয়েছে। বাস্তবে কাজের প্রকার নানাবিধ।মনের মতো কাজ সকলেই করতে চায় কিন্তু সর্বদা তা সম্ভব হয় না। বর্তমানে আবার কেউই তার নিজের সামাজিক ও জাত অনুযায়ী কাজ করে না।

কলিকালে দেখা যাচ্ছে যে, ব্রাহ্মণের ছেলে মাংসের দোকানে কাজ করে, আবার চাষির ছেলে চাকরি করে। যাইহোক জন্মের পর থেকে কর্ম শুরু হয়ে গিয়েছে। কথায় আছে যেমন কর্ম তেমন ফল। পূর্বজন্মের শুভ এবং অশুভ কর্মের উপর এই জন্মের কর্ম সম্পাদন বা প্রকৃতি কিছুটা নির্ভর করে। 

কর্মস্থল বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দেখতে হলে প্রথমে দেখা হয় তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, উপযুক্ত বয়স এবং কর্মভাব শুভ আছে কিনা।বা কোনও শুভ গ্রহের দশা চলছে কিনা দেখে নেওয়া প্রয়োজন। আগে দেখা যাক কোন কোন গ্রহ থেকে কি কি কাজ হতে পারে—

রবি – সরকারি চাকরি, বেসরকারি উচ্চ পদ, চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিকিৎসক হওয়ার সম্ভবনা।

চন্দ্র – চিত্রশিল্পী, সেলসম্যান, নাবিক, টুরিস্ট গাইড, ক্যাটারার, অভিনয়, কৃষি, সম্পাদক ইত্যাদি।

মঙ্গল – পুলিশ, গৃহনির্মাণ, সেনা বিভাগ, ফৌজদারি, আইনজ্ঞ, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিকাজ, আগুনের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত কাজ ইত্যাদি।

বুধ – সাংবাদিকতা, আয়কর দফতর, বাদ্যকার, জীবনবীমা, ডাক বিভাগ, লেখক, পুস্তক বিক্রেতা, উকিল, শিল্পী ইত্যাদি।

বৃহস্পতি – যে কোনও কাজেই এরা কৃতকার্য হতে পারে।অধ্যাপক, বৈজ্ঞানিক, যন্ত্রী, দর্শন, পূজাপাঠ, বিচারক ইত্যাদি।

শুক্র – সঙ্গীত, জ্যোতিষী, আইনবিদ, সুগন্ধ দ্রব্যের ব্যবসা, ফলিত বিজ্ঞান, কবি, মিষ্টির দোকান, স্বর্ণ ব্যবসায়ী, সার্ভেয়ার, সরকারি কাজ ইত্যাদি।

শনি – রাজনীতিবিদ, জ্যোতিষী, পূজাপাঠ, তান্ত্রিক, কুলি, দায়িত্বশীল কর্মচারী, কৃষি, ভারী লৌহ শিল্প, সমাজসেবা, ম্যানেজার, সেক্রেটারি ইত্যাদি।

রাহু – শিল্প- বাণিজ্য, রেল, ট্রাম, বাস, আকাশবাণী, চোর, ডাকাত, কাঁসা- পিতল, ব্যাঙ্ক, আমদানি-রপ্তানি, বিদ্যুৎ, ইলেকট্রিক ইঞ্জিয়ার, রেডিও, শিক্ষক ইত্যাদি।

কেতু – নার্সিং, কালোবাজারি, পোলট্রি, গুপ্তচর, কাস্টমস, ফোটোগ্রাফি, নার্স, মাছের ব্যবসা, পশুখাদ্য, ধর্মীয় যাজক, কীর্তনিয়া, স্টিল ইত্যাদি।