দক্ষিণবঙ্গে কবে নামবে স্বস্তির বৃষ্টি? জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার খবর

দক্ষিণবঙ্গে কবে নামবে স্বস্তির বৃষ্টি? জেনে নিন আজকের  আবহাওয়ার খবর

বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার আধিক্যের জেরে অস্বস্তি দিন প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে দক্ষিণবঙ্গে কবে নামবে স্বস্তির বৃষ্টি? এই প্রসঙ্গে এখনই কোনও আশার কথা শোনাতে পারছে না আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাত সামান্য বাড়বে।  গতকাল শহরে সামান্য বৃষ্টিপাত হয়। কিন্তু, ফের চড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ।

বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের জন্য বাড়বে অস্বস্তিও। এদিন কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি এবং এদিন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৬ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি।

এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৯২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৫৯ শতাংশ। গতকাল শহরে বৃষ্টিপাত হয়েছিল ৬.৮ মিলিমিটার।  মরশুমের শুরু থেকেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি ভারী বৃষ্টিপাত পায়নি। এর ফলে জুলাই মাসেও উত্তর এবং দক্ষিণ দুই বঙ্গেই বৃষ্টিপাতের ঘাটতি দেখা গিয়েছে। মাসের শেষের দিকে কি সদয় হবেন বরুণদেব?

এই প্রশ্নের জবাবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলা যেমন দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হুগলি, দুই মেদিনীপুরে এদিন হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পাওয়া যাবে না ভারী বৃষ্টিপাত। কিন্তু, সপ্তাহের শেষে অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টিপাত পাবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি, জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

উল্লেখযোগ্যভাবে, জুলাই মাসেও রাজ্যে বৃষ্টির ঘাটতি অব্যাহত। দক্ষিণবঙ্গে এখনও পর্যন্ত বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে ৪৬ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদদের একাংশ।  চলতি মরশুমে উত্তরবঙ্গে বিভিন্ন সময় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। কিন্তু, হঠাৎ মতি বদলেছিল আবহাওয়া। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে যায়।

যদিও এই পরিস্থিতি আর বেশিদিন দেখা যাবে না বলেই জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে আজও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু, আগামীকাল থেকেই কমতে শুরু করবে বৃষ্টিপাত। উল্লেখ্য, উত্তরবঙ্গে মাঝে অতিবৃষ্টি হলেও সার্বিকভাবে এখনও পর্যন্ত বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতির পরিমাণ ৪ শতাংশ।