জেনে নিন সিদ্ধ নাকি পোচ, কোনটি বেশি স্বাস্থ্যসন্মত

জেনে নিন সিদ্ধ নাকি পোচ, কোনটি বেশি স্বাস্থ্যসন্মত

আজবাংলা   খরচ কম কিন্তু পুষ্টি বেশি। এইসব কারনের জন্য অনেকেরই ভরসা ডিম। ডিম এমনই এক খাবার যার মধ্যে সমস্ত রকমের স্বাস্থ্য গুণ সম্পূর্ণ রয়েছে। পুষ্টিবিদরা বলেন, ডিমের কুসুম খারাপ কোলেস্টেরলকে কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। মেদ নিয়ে ভয় থাকলে ডিম বাদ দেওয়ার কোনও কারণ নেই।

বরং বেশ কিছু উপায়ে ডিম খেলে মেদের সঙ্গে লড়া যায় খুব সহজেই। তবে, বেশি মাত্রায় ভাজাভুজি এড়ান। কারন এটি স্বাস্থ্যের কারনে ক্ষতিকারক। পোচ বা অমেলেতেও বেশি খাবে না। তাহলে ভাবছেন কীভাবে বা কি দিয়ে/ করে খাবেন? আসুন সেইটি দেখে নেওয়া যাক আজকের প্রতিবেদনে।

সম্প্রতি পুষ্টিবিদরা নতুন এক প্রক্রিয়া বলে দিয়েছেন ডিমের পোচ রান্না করার জন্য। আসুন দেখে নেওয়া যাক সেটি কি।

পোচ রাঁধুন জল ও ভিনিগারের সাহায্যে। একটি পাত্রে কিছুটা জল নিয়ে তাতে অল্প ভিনিগার যোগ করে জল নেড়ে নিন। খুব সাবধানে প্রথমে ডিমের সাদা অংশ ফেলুন জলে। তার ওপর ফেলুন ডিমের কুসুম। এমনভাবে কুসুম যোগ করতে হবে যাতে তা ভেঙে না যায়।

খানিক পরে ডিমের সাদা অংশ ফুলে উটে ঢেকে দেবে হলুদ কুসুমকে। সাদা আস্তরণের ভিতর টলটল করবে কুসুম। ঝাঁঝরি হাতা দিয়ে পোচটিকে আলতো করে তুলে নিন জল থেকে। তেল ছাড়া এমন পোচই বিশ্বে জনপ্রিয়। ডিমের সবটুকু পুষ্টিগুণ মেলে এই পোচ থেকে। মেদ জমার ভয়ও থাকে না।

স্যালাডদের সঙ্গে খান:  পালং, শশা, ব্রকোলি, সিদ্ধ করা গাজর, কড়াইশুটি, টমেটো-পেঁয়াজের স্যালাডের সঙ্গে মিশিয়ে দিন সিদ্ধ ডিমের কুঁচানো অংশ। ওপর থেকে গোলমরিচ ছড়িয়ে লেবুর রস দিয়ে দিন। এতে গোটা ডিমের পুষ্টিগুণ যেমন মিলবে, তেমনই আবার সবুজ সবজি, শাক ও গাজরের প্রভাবে মেদ বাধা পাবে। ফলে ডিমে বাড়বে না ওজন।