ফেসবুক লাইভে স্ত্রী'র বকুনি ডাক্তার স্বামীকে, তুমুল ভাইরাল ভিডিও

ফেসবুক লাইভে স্ত্রী'র বকুনি ডাক্তার স্বামীকে, তুমুল ভাইরাল ভিডিও

 সোশ্যাল মিডিয়ায় একটু বেচাল হয়েছেন, তাহলেই আপনি ভাইরাল। আমাদের জীবনটা এখন ওই স্ক্রলিং থেকে ট্রোলিং-এর মধ্যেই আটকে গিয়েছে। আর এখন মুঠোফোনের দৌলতে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ এলে সারা বিশ্বের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে আপনার ঘরের খবর। সম্প্রতি এরকমই একটি ঘটনার ভিডিও নেটদুনিয়ায় এখন সকলের চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে।   

পদ্মশ্রী প্রাপক এবং ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএমএ) প্রাক্তন সভাপতি, চিকিত্‍সক কেকে আগরওয়ালের একটি ভিডিও দেখে নেটিজেনদের কমেন্ট আর লাইক-শেয়ারে ভেসে গিয়েছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলি। করোনার টিকা নেওয়ার জন্য আমরা সকলেই আশায় বুক বেঁধেছি।

ইতিমধ্যে দেশে প্রায় সাড়ে উনিশ লক্ষ প্রথম সারির যোদ্ধা অর্থাত্‍ স্বাস্থ্য কর্মীদের টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে। এই দিন দিল্লির ওই প্রবীণ চিকিত্‍সক টিকা নেওয়ার সময় লাইভে এসেছিলেন। টিকাকরণ হওয়ার পরেও তিনি গাড়িতে লাইভ করছিলেন, আর ঠিক তখনই তাঁর স্ত্রী ফোন করেন। লাইভ অফ না করা অবস্থাতেই স্ত্রী'র সঙ্গে কথোপকথন সারছিলেন ওই চিকিত্‍সক।

আর সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ট্যুইটারের মাধ্যমে। ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে, চিকিত্‍সকের স্ত্রী ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছে কারণ তিনি একা একা ভ্যাকসিন নিতে চলে গিয়েছিলেন। চিকিত্‍সক তাঁর স্ত্রী'কে বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন, যে সোমবার দিন তিনিও পাবেন। কিন্তু কথা শুনতে নারাজ স্ত্রী চিকিত্‍সকের উপর রাগারাগি করছিলেন।

আর তাতেই হেসে খুন নেটবাসীরা। চিকিত্‍সক এবং তাঁর স্ত্রী'র মিষ্টি ঝগরাটে ফোনালাপ কিন্তু অজান্তেই সকলকে আনন্দ দিয়েছে। যদিও চিকিত্‍সক আগরওয়াল পরে একটি বিবৃতির মাধ্যমে সম্পূর্ণ ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন এবং ক্যাপশনে লিখেছেন, #গেটভ্যাকসিনেটেড #কোভিড১৯,  বিবৃতিতে লেখা রয়েছে, "সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার একটি ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে, সেটি নিয়ে আমি যথেষ্ট সচেতন।

আমি আনন্দিত যে এই কঠিন সময় মানুষ এক মুহূর্তের জন্য হলেও আনন্দ পেয়েছে, সর্বোপরি হাসিখুশি থাকাটাই সবচেয়ে ভাল ওষুধ। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আমার স্ত্রী উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন, কারণ তিনি আমার শরীর নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। আমি সকলকে অনুরোধ করছি যখন সুযোগ আসবে, আপনারাও করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণ করুন।

আমি পূর্বে একটি ভিডিওতে লাইভ এসেছিলাম, আমি আপ্লুত এই ভেবে যে ভিডিওটির মাধ্যমে করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণের মূল্যবোধ বোঝা গিয়েছে, যা একজন চিকিত্‍সক হিসেবে আমার মিশন ছিল আমি নিশ্চিত আপনারা সকলেই একমত হবেন যে করোনার ভ্যাকসিন না নেওয়াটা একটা হাস্যকর বিষয়"।

উল্লেখ্য, কে কত আগে আপডেট দিতে পারছেন এবং সামাজিক মাধ্যমে আপনার শেয়ার করা তথ্য কিন্তু অন্যকে সাহায্য করতে পারে। তাই কী বলছেন, কী করছেন এই সব ব্যাপারে অবশ্যই নজর রাখতে হবে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু পোস্ট করবার সময়।