একদম ঘরোয়া পদ্ধতিতে সারিয়ে ফেলুন কাশি

একদম ঘরোয়া পদ্ধতিতে সারিয়ে ফেলুন কাশি

আজবাংলা   শীতের এলেই নানা রোগেরও সৃষ্টি হয়। এদের মধ্যে অনেকেই কাশির সমস্যায় ভুগছেন দীর্ঘদিন ধরে। চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে অনেকে কাশিকে অবহেলা করেন, তা শুকনো কাশি হোক বা কফযুক্ত কাশি। অনেকেই কাশি সারাতে নানা সিরাপ খেতে শুরু করে দেন। 

এইরুপ যখন তখন সিরাপ খাওয়া মোটেও ভালো নয়। এর থেকে অনেক ভালো উপায় হল একদম ঘরোয়া পদ্ধতিতে সারিয়ে তোলা। সিরাপের থেকে বহুগুন ভালো। আসুন দেখে নিন ঘরোয়া কোন কোন পদ্ধতিতে কাশি সারিয়ে তোলা সম্ভব। নীচে আলোচনা করা হল। 

মধু-   কাশির সমস্যা মেটাতে কার্যকর মধু। কাশি যদি খুশখুশে প্রকৃতির হয়, তবে প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খান। প্রথমে আদা থেতো করে একচামচ রস বের করে নিন। এরপর এক চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন। নিয়মিত এটি মেনে চললে কয়েক দিনের মধ্যে কাশি কমে যাবে।

বুকে যদি কফ জমে থাকে, তবুও মধু সমান কার্যকর। এ ক্ষেত্রে মধু খাওয়ার পদ্ধতি অন্যরকম। মধু খেতে হবে এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ জলের সঙ্গে মিশিয়ে, অথবা সকালে চায়ের সঙ্গেও খেতে পারেন। গরম জল বা চায়ের সঙ্গে মধু খেলে বুকে জমা কফ দূর হবে।

শিউলি পাতার রস-   অনেকের বাড়িতে শিউলি ফুলগাছ থাকে। ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে গাছ থেকে দু-তিনটি পাতা তুলে নিন। ভালো করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর মুখে পুরে নিন। ভালো করে চিবিয়ে যতটুকু রস আছে খান, পরে ফেলে দিন ছিবড়ে। এটি নিয়মিত খেলে কাশি কমবেই।

আনারস-   আনারসে এমন একটি উপাদান থাকে, যা গলায় জমে থাকা মিউকাসকে পরিষ্কার করে। এই মিউকাসের জন্যই সাধারণত কাশি হয়। আনারসের এই উপাদানের নাম ব্রোমেলাইন। এটি শুধু আনারসেই মেলে।

তুলসি পাতা-   কাশির সমস্যা মেটাতে অন্যতম ভেষজ তুলসীপাতা। তুলসীপাতা কাশি ও কফ দূর করতে অত্যন্ত উপকারী। সকালে ঘুম থেকে উঠে গাছ থেকে আট-দশটা ছোট তুলসীপাতা তুলে ভালো করে ধুয়ে চিবিয়ে খেতে পারেন। তুলসীপাতায় অ্যান্টিটিউসিভ ও এক্সপেকটোরেন্ট নামক দুটি উপাদান থাকে, যা বুকে জমে থাকা কফকে তরল করে বের করতে সাহায্য করে।

গার্গল-   অল্প গরম জলে আধা চামচ নুন মিশিয়ে গার্গল করুন। এতে গলার খুশখুশ ভাব কমে যাবে, কফও সহজে বেরিয়ে আসবে।