কারিপাতার এই গুনেই আপনি হয়ে উঠবেন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী

কারিপাতার এই গুনেই আপনি হয়ে উঠবেন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী

কারিপাতা মিষ্টি নিমপাতা নামেই পরিচিত  ।ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় যত্রতত্র দেখা যায় এই গাছ  কারিপাতা খাবারে স্বাদ বাড়ানোর জন্য বিশেষত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে শুধু স্বাদ মেটাতে নয়, পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এই ভেষজ সুস্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট উপকারী। কারিপাতায় রয়েছে ফসফরাস আয়রন, ক্যালসিয়াম  ভিটামিন সি ,  নিকোটিনিক অ্যাসিড। জেনে নিন কারিপাতার কিছু কার্যকারিতা সম্পর্কে ……

কারিপাতা হল হজম সহায়ক। এর মধ্যে থাকা এনজাইম শরীরে হজমে সাহায্যকারী এনজাইমের ক্ষরণে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা হলে রাতের খাবারে কারিপাতার ফোড়ন দিলে উপকার পেতে পারেন।হার্টের স্বাস্থ্যের জন্যও কারিপাতা খুব উপকারী। এছাড়া এটি ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সক্ষম।

কারিপাতায় থাকা  ভিটামিন এবং মিনারেল চুল পড়া রোধে সাহায্য করে। চুলকে গোড়া থেকে মজবুত করে। চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখে। সকালে উঠে কয়েকটি কারিপাতা চিবিয়ে খেলে দ্রুত চুলের সমস্যা থেকে নিস্তার পাবেন।চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী উপাদান হল কারিপাতা।কারি পাতা দৃষ্টিশক্তি উন্নতিতে সহায়ক হয়। চোখের ছানি প্রতিরোধ করতে পারে।

ডায়াবেটিকদের জন্য খুব উপকারী এবং কার্যকরী একটি ভেষজ কারিপাতা।এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। প্রাতরাশে কারি পাতার পাউডার ব্যবহার করা ভালো।বমির সমস্যা, বাড়তি ওজনের সমস্যা, স্নায়ুর সমস্যা থেকে নিরাময় দেয় এবং তরতাজা অনুভূতি আনে শরীরে। কারি পাতা বদহজম এবং বমি বমি ভাবের প্রতিকার করে। কারি পাতা থেকে রস বের করে নিন এবং এটি তাজা লেবুর রস এবং চিনির সঙ্গে মিশ্রিত করুন। এটা বমি বমি ভাব এবং বদহজম চিকিৎসার জন্য সাহায্য করে।

কারিপাতায় রয়েছে ভরপুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দৃঢ় করে। এটি ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। কারণ এই ভেষজে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট। কারি পাতা ডায়রিয়ার জন্য ভাল প্রতিকার। কারি পাতায় কার্বজোল আলকালয়েড থাকে যা ডায়রিয়ার চিকিৎসায় প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে।