মাসে ২৭ কোটি টাকা আয় করে অসাধ্য সাধন করলো ২১ বছরের যুবক

আজবাংলা :    এখন ১০ টাকা রোজগার করতে গিয়ে মানুষ হিমশিম খেয়ে যায় মাথার ঘাম প্রায় চলে আসে তাও ১০ টাকা রোজগার করা সম্ভব হয় না অনেকেরই । সেখানে ২১ বছরের এক তরুণ কামাচ্ছে ২৭ কোটি টাকা তাও আবার প্রতিমাসে । ২৭কোটি নেহাতই কম অংক নয়। এত অল্প বয়সে এত সাফল্য কিভাবে তা নিয়েই কৌতুহল জনগণের । আজকে তিনি যে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে গেছেন তার পিছনে রয়েছে শুধুমাত্র একদিনের এবং এক রাতের অভিজ্ঞতা মাত্র ।আজ থেকে প্রায় তিন বছর আগে যুবকটি তার নিজের অ্যাপার্টমেন্টে রাতের বেলা ঢুকতে পারে না সেজন্য তাকে বাধ্য হয়ে বাইরে রাত কাটাতে হয়। তখন তিনি যেই হোটেলটিতে যান সেই হোটেল যেতে গিয়ে তিনি আশ্চর্য হয়ে যান। সেখানে না কোন আছে সুযোগ-সুবিধা ভালো মতো রিসিপশনিস্ট যেখানে রয়েছে সে পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছে আর বাথরুমে জল নেই না আছে কোনো সুযোগ-সুবিধা। ঠিকমতো রুম বুক করা যাচ্ছে না সে অদ্ভুত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে তাকে রাত কাটাতে হয়েছিল ।তিনি উপলব্ধি করলেন যে তিনি আজকে যে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে তার মানে আরো অনেক মানুষকে ঠিক একই সমস্যার সামনে এসে দাঁড়াতে হয়। তখনই তিনি ঠিক করলেন সমস্ত জনসাধারণের এই সমস্যা দূর করবেন তিনি।এর ঠিক ৩ বছর পর ঋতেশ আগারওয়াল সংশ্লিষ্ট কাজ করার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। "ওয়ো রুমস" নামের প্রতিষ্ঠান এখন দেখভাল করে যাতে কোন ব্যক্তি কোন ঝামেলা ছাড়াই থাকতে পারে হোটেল রুমে।সাফল্য রাতারাতি চলে আসে তার হাতের মুঠোয়। আজ প্রায় ভারতের ৩৫ টা শহরের ১০০০ বেশি হোটেল তার অধীনে। কাজ করছে ১০০০ কর্মীও। হোটেলের মান উন্নত করার সাথে সাথে কর্মীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থাও রয়ে় রয়েপরবর্তীকালে তিনি একটি অ্যাপের প্রচলন করেন যেখানে সে অ্যাপের মাধ্যমে ব্যক্তি রুম বুক করতে পারেন ,রুমে যাওয়ার পথ নির্দেশনা পেতে পারেন এবং রুমসার্ভিসও মেলে তাতে ।জীবনের একটি ছোট অভিজ্ঞতা ঋতেশ আগারওয়াল কে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে দেবে তা হয়তো তিনি নিজেও ভাবতে পাা পারেনি