মুরগি খেতে গিয়ে প্লাস্টিকের দড়ি গিলে অসুস্থ অজগর

আজবাংলা  তেজপুর     প্লাস্টিকের দড়ি গিলে সৌভাগ্যবলে প্ৰাণে বেঁচে গেছে প্রকাণ্ড একটি অজগর। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্য অসমের তেজপুরে। ঘটনাটি বুধবার সকালে স্থানীয় কালিবাড়ি এলাকার বাসিন্দা শিশু বিশেষজ্ঞ ডা, মানস দেউরির বাড়িতে ঢুকে প্ৰায় ৯ ফুট লম্বা একটি অজগর। স্থানীয়দের চোখে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় হুলস্থুল পড়ে যায়। তাঁর বাড়ির আশপাশ এলাকা ঘন জঙ্গলাকীর্ণ। ফলে প্ৰায়ই জঙ্গল থেকে লোকালয়ে চলে আসে বিষাক্ত ফেটি সাপ, অজগরের মতো সরীসৃপ প্ৰাণীরা।জানা গেছে, গতকাল রাতে ডা. মানসবাবু বাজার থেকে একটি মুরগি কিনে এনে তাঁর গাড়ি গ্যারেজে প্লাস্টিকের রশি দিয়ে বেঁধে রেখে ছিলেন। আজ সকালে গ্যারেজ খুলে দেখেন মুরগিটি নেই। মুরগিটি ইতিমধ্যেই অজগরটি সাবাড় করে নিয়েছে। তার সঙ্গে প্লাস্টিকের রশির কিছু অংশও তার পেটে চলে যায়।মুরগির সঙ্গে প্লাস্টিকের রশি তার পেটে গেলে বড়শিতে আটকে পড়া মাছের মতো ছটফট করছিল অজগরটি। সেই দৃশ্য দেখে ডাক্তারের পরিবার পশুপ্ৰেমী সৌরভ বরকটকিকে খবর দেন। খবর পেয়ে বরকটকি ঘটনাস্থলে গিয়ে অজগরের মুখের ভেতর থেকে প্লাস্টিকের রশিটি কেটে দেন। কিছুক্ষণ পরে রশি সমেত মুরগিটিও উগরে দেয় আজগরটি।এর পর প্ৰায় ঘণ্টা দুয়েক পর অজগরটি একটু সুস্থ হলে তাকে জঙ্গলে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এভাবে সম্ভাব্য মৃত্যু থেকে প্ৰাণে বেঁচে যায় অজগরটি।প্রসঙ্গত এর আগে পশুপ্ৰেমী সৌরভ বরকটকি কাজিরঙার বন্যপ্ৰাণী পুনঃসংস্থাপন কেন্দ্ৰের পশু চিকিত্‍সক সামসুল আলির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান, অজগর সাধারণত খাবার গ্ৰহণ করার সময় অসুবিধা পেলে গিলে ফেলা খাবারও বাইরে বের করে দেয়। এতে এরা যথেষ্ট কষ্টও পায়।