ডায়মন্ড হারবারে অভাবের তাড়নায় নিজের সদ্যোজাত পুত্রকে বিক্রির অভিযোগ

শান্তনু পুরকাইত , আজবাংলা দক্ষিন ২৪ পরগনা ১০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে তিনদিনের বাচ্ছা বিক্রি। বিক্রির অভিযোগ নার্সিং হোম কর্তিপক্ষের বিরুদ্ধে।খবর পেয়ে যায় সংবাদমাধ্যমের কর্মিরা । উদ্ধার হয় শিশু । নরেচরে বসে প্রসাশন। ডায়মন্ড হারবার থানার পারুলিয়ার চিকিৎসা মেটানিটি এন্ড নার্সিং হোমের ঘটনা। অভিযোগ অভাবের তাড়নায় নিজের সদ্যোজাত শিশুপুত্রকে বিক্রি করে মা বাবা।জয়নগর থানা এলাকার চরনের এক মহিলা কয়েকদিন আগে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। এরপরেই ওই শিশু পুত্রকে নার্সিং হোমের মদতে ডায়মন্ড হারবারের ধনবেড়িয়ার এক নিঃসন্তান দম্পত্তি ওই সদ্যোজাতকে নিয়ে চলে যায়। এরপর জানতে পারে ডায়মন্ড হারবারের সংবাদ মাধ্যমের কর্মিরা। ঘটনার খবর পেয়ে ডায়মন্ড হারবার চাইল্ড লাইনের সদস্য নুর উদ্দিন পুরকাইত ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশের সাহায্য নিয়ে পারুলিয়া মোড়ের ওই বেসরকারি নার্সিং হোমে তদারকিতে যান। নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলে একাধিক অসঙ্গতি উঠে আসে নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষ নিতিশ ঘোড়ুইয়ের গলায়। এরপরেই সদ্যোজাত শিশুকে তাঁর মায়ের কাছে ফেরানোর জন্য নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষকে বলে পুলিশ ও চাইল্ড লাইন।ঘটনার কিছুক্ষন পর সদ্যোজাত শিশুকে নিয়ে নার্সিং হোমে পৌঁছোয় ওই নিঃসন্তান দম্পত্তি। এরপরেই সামনে আসে রহস্য সদ্যোজাত শিশুটি নেওয়ার জন্য প্রসূতি মহিলার চিকিৎসার খরচ করেছেন তাঁরা এমনটাই দাবি নিঃসন্তান দম্পত্তির। এমনকি সদ্যোজাত শিশুর বিনিময়ে ৫০ হাজার টাকা প্রসূতি মহিলাকে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এবং নিজেদের হাতে একটি স্ট্যাম্প পেপারে প্রসূতি মহিলার স্বাক্ষরও করিয়ে নিয়েছিল ওই নিঃসন্তান দম্পত্তি। যাতে পুনরায় সদ্যোজাতকে নিজের সন্তান বলে দাবি না করতে পারেন ওই প্রসূতি মহিলা। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার আশ্বাস সিএমওএইচ দেবাশিষ রায়ের । তবে পুরো ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। কিভাবে একজনের সদ্যোজাত শিশুকে অবৈধভাবে অন্যের কাছে দিয়ে দিতে পারে? তবে কী নার্সিং হোম গুলিতে এভাবেই অগোচরে চলছে শিশু বিক্রির ব্যবসা? এই চক্রের নেপথ্যে কারা রয়েছে? তদন্ত করবে কী পুলিশ ? কতটা সজাগ হবে স্বাস্থ্য দপ্তর ? নাকি বেসরকারি নার্সিং হোমে এভাবেই অগোচরে চলবে শিশু বিক্রির রমরমা ব্যবসা।প্রশ্ন টা রয়ে যায়।