প্রশাসনের উদাসীনতায় প্রকাশ্যে মাংস কাটায় বাড়ছে দৃশ্য দূষণ,

Administration's lack of publicity is increasingly
প্রকাশ্যে মাংস কাটায় বাড়ছে দৃশ্য দূষণ,

আজবাংলা  প্রকাশ্যে কি মাংস কেটে ঝুলিয়ে বিক্রি করা যায়? পুরসভার এক কর্তা স্বীকার করলেন, এমন ভাবে মাংস কাটার নিয়ম নেই। নিয়ম অনুযায়ী বন্ধ ঘরে মাংস কাটতে হবে। মাংস কেটে ঝুলিয়েও রাখা যায় না। ঢেকে রেখে বিক্রি করতে হয়। তারপরেও কী ভাবে চলছে প্রকাশ্যে মাংস কেটে বিক্রি? পুরসভা কর্তৃপক্ষের দাবি, নিয়ম করে অভিযান চালানো হয়। প্রকাশ্যে ঢেকে বিক্রি করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। জেলাজুড়ে যত্রতত্র প্রকাশ্যে মাংস কাটা চলছে যার জেরে বাড়ছে দৃশ্য দূষণ দেশের সর্বোচ্চ আদালত একটি জনস্বার্থ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সুনির্দিষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছে যে কোনও মাংসের দোকান জনসমক্ষে কাটা মাংস ঝুলিয়ে রাখতে পারবে না এবং দোকানটিকে আচ্ছাদিত রাখতে হবে যাতে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষ পশুর কাটা দেহ দেখতে না পান তার জন্য রাস্তার ধারে যত্রতত্র মাংস কাটা বা জীবজন্তুর পাখির মাংস হোক না কেন সব কাঁচ দিয়ে ঢেকে বিক্রি করতে হবে। প্রতিটি পুরো বা পঞ্চায়েত এলাকার এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট জায়গায় স্থির করার কথা যেখানে মাংস কাটা হবে এবং মাংস কাটার পরে বজ্র বস্তু বিষয়ে দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে সুপ্রিম কোর্টের এই আদেশনামা একতা দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তবে সব স্থানীয় প্রশাসনকে পাঠানো হয় কার্যকরী করার জন্য সাময়িকভাবে বিভিন্ন দোকানে কাজে লাগিয়ে কাটা মাংস আরো কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয় বিভিন্ন জায়গায় কিন্তু ধারাবাহিকতার অভাবে তা এখন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পরেছে যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।  শুধু ঝুলিয়ে রাখায় নয়, প্রকাশ্যেই কাটা হচ্ছে খাসি, পাঁঠাও। রাস্তায় নালার মতো গড়ে যায় রক্ত। সেই রক্তের উপর দিয়েই চলাফেরা করতে হয় মানুষকে। প্রকাশ্যে মাংস কাটার বিষয়ে শহরের প্রাক্তন প্রবীণ বলেন, “আশি কিংবা নব্বইয়ের দশকে প্রকাশ্যে মাংস কাটা হত না। বাজারগুলির নির্দিষ্ট ঘরে মাংস কাটা হত। পুরসভার কর্মীরা সেখানে উপস্থিত থাকতেন। তারপরে বাজারের মধ্যে নির্দিষ্ট জায়গায় কেনাবেচা চলত মাংস।” এখনকার পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, “এখন বাজারের পাশাপাশি রাস্তার উপরেই ছুরি, চাকু দিয়ে পশুপাখি কাটা হচ্ছে। রক্ত গড়িয়ে রাস্তায় ছড়িয়ে থাকছে। চামড়া ছিলে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে। সেই দৃশ্য দেখলে সত্যিই গা শিউরে ওঠে!”   বিভিন্ন জায়গায় হাট, বাজার, রাস্তার ধারে প্রকাশ্যে মাংস কাটার দৃশ্য দূষণ এবং মানুষের মধ্যে নানা সমস্যা সৃষ্টি করছে বিভিন্ন জায়গায় মাংস কেটে যেভাবে দোকানে দোকানে ঝুলিয়ে রাখা হয় তা অত্যন্ত দৃশ্য দূষণ এর সৃষ্টি করে বিশেষ করে শিশুদের মনে হিংসা নামক মনো ভাবনার উদ্রেক ঘটায় কেবলমাত্র প্রকাশ্যে মাংস কাটা নয় বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রাখা হয় কাটা পশুপাখির বস্তু যার ফলে জল দূষণ জনিত তৈরি হলো আমরা সেসব কে যথেষ্ট গুরুত্ব দিই না কিন্তু তার প্রভাব বিস্তার লাভ করে। এবিষয়ে জেলার কিছু পরিবেশবিদ ও মনোবিশেষজ্ঞরা জানান, প্রকাশ্যে এভাবে মাংস কাটা তে শিশু ও বড়দের মনে মানসিক চাপ সৃষ্টি করে যার ফলে তৈরি হয় হিংসা এই দৃশ্য দেখে অনেকে নানান অপরাধমূলক কাজে লিপ্ত হয় শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ে তাই সেই কারণে প্রশাসনের অতিসত্বর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।