পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক দক্ষিণ দিনাজপুরে

Administrative meeting on Panchayat elections
পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক
Administrative meeting on Panchayat elections
পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক

আজবাংলা  দক্ষিণ দিনাজপুরঃ রাজ্য কমিশনের পক্ষ থেকে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দামামা বাজতেই তোড়জোড় শুরু করল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন। রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়। সর্বদলীয় বৈঠকের পর পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন জেলা শাসক ও জেলা পুলিশ সুপার। সর্বদলীয় বৈঠকে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোটের আবেদন করা হয়। এদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে সব প্রার্থীদের জাতিগত শংসাপত্র নেই তাদের শংসাপত্র যাতে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা নিয়ে সরব হয় বিরোধীরা। আর এমনটা হলে বিরোধীদের মনোনয়ন থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে না বলে দেওয়া হোক বলে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ করা হয়। আগামী ৫ মে তৃতীয় অর্থাৎ শেষ দফায় দক্ষিণ দিনাজপুরে পঞ্চায়েত নির্বাচন হতে চলছে। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনকে মাথায় রেখে সব রকম প্রস্তুতি আগে ভাগেই নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। সর্বদলীয় বৈঠক থেকে পুলিশ ও প্রশাসনিক বৈঠক সবই এদিন করা হয়। সর্বদলীয় বৈঠকে শান্তিপূর্ণ ও অবয়াধ নির্বাচনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি যে সব প্রার্থী জাতিগত শংসাপত্র নেই এখন তাদের শংসাপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করার আর্জি জানানো হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এদিকে আজ থেকে শুরু হয়েছর নমিনেশন জমা দেবার পক্রিয়া। চলবে সময় ৯ই এপ্রিল পর্যন্ত। ব্লক অফিস ও মহকুমা অফিসে মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে। স্কুটনি হবে ১১ই এপ্রিল। মনোনয়ন প্রত্যাহার ১৬ই এপ্রিলের মধ্যে করতে হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের মোট আসন ১৮ টি। ৮ টি পঞ্চায়েত সমিতির মোট আসন ১৮৭ টি এবং ৬৪ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন ৯৭৫ টি। মোট ১১৩৪ টি বুথে ভোট গ্রহণ পক্রিয়া চলবে। পঞ্চায়েত স্তরে মোট ভোটার ১০ লক্ষ ৫৫ হাজার ৩৭৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৪৪৬ জন এবং মহিলা ৫ লক্ষ ০৮ হাজার ৮৯৬ জন। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটার ৩৪ জন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।এবিষয়ে বিরোধীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দাবী জানিয়েছেন তারা প্রশাসনের কাছে। গোটা নির্বাচন পক্রিয়া যাতে অবাধ ভাবে হয় সে বিষয়ে নজর রাখতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে। পাশাপাশি যে সকল প্রার্থীর জাতীগত শংসাপত্র নেই তাদের শংসাপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করার আবেদন করা হয়েছে। অন্য দিকে জেলাশাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী জানান, যেমন যেমন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ পাবেন সেই ভাবেই কাজ করা হবে। জাতিগত শংসাপত্র এর জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে। বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখবেন।