আবেগের প্রথম সিঁড়ির পর যোগ্যতার একের পর এক সিঁড়ি অতিক্রান্ত রানাঘাটের রানুদি

মলয় দে আজবাংলা রানাঘাট নদীয়ার রানাঘাট পরিচয়ের সীমা ছিল শুধুই নদীয়া আর পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে। আজ রানাঘাটের পরিচয় সারা ভারতবর্ষ ও পৃথিবীজুড়ে। সবটাই সম্ভব হয়েছে রানুদির গানের মাধ্যম দিয়ে। রানুদি মুম্বাই এ হিমেশ রেশমিয়ার একটি ছবিতে গানের রেকর্ডিং করে নিজের এলাকা রানাঘাটে ফিরলেন। এলাকায় ফিরে স্বভাবতই খুশি রানুদি। রবিবার ছুটির দিনে রানুদির সাফল্যে খুশি হয়ে তাঁকে সম্বর্ধনা দিলেন এলাকার মানুষজন। এতদিন রানাঘাট প্লাটফর্ম ছিল রানুদির স্টেজ। সেইখান থেকে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে রানু মন্ডল হয়ে ওঠেন রানুদি । তারপর পাড়ি দেন মুম্বাই। সেখানে একটি রিয়ালিটি শোয়ে গান গেয়ে মন জয় করে নেন হিমেশ রেশমিয়ার । সেই হিমেশ রানুদি কে গান গাওয়ার একটি সুযোগ করে দেন । সেই রেকর্ডিং এর ভিডিও ভাইরাল হয় নেট দুনিয়ায় । আপাতত সেই রেকর্ডিং সেরে বাড়ি ফিরে জানালেন নিজের অভিজ্ঞতার কথা। রানুদি বলেন। হিমেসের সাথে কাজ করে খুব খুশি হয়েছেন।আগামীদিনে আরো নতুন কিছু ছবির গানের জন্য তাকে ডাকা হতে পারে বলে জানান তিনি।