পদত্যাগ করতে চলেছেন আলেজান্দ্রিয়া ওকাসিও কর্তেজের চিফ অব স্টাফ সৈকত চক্রবর্তী

আজবাংলা টেক্সাসে জন্মগ্রহণ করা সৈকত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। বেশ কিছু বছর কাটিয়েছেন সিলিকন ভ্যালিতে। মকিংবার্ড নামে একটি ওয়েব ডিজাইন টুলেরও সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি। পেমেন্ট প্রসেসর প্রডাক্ট টিমেরও একজন সদস্য ছিলেন। এরই মাঝে কর্মসূত্রে কিছু সময়ের জন্য তাঁর যাতায়াত ছিল ওয়াল স্ট্রিটেও। কিন্তু এরপরই কিছুটা ব্যতিক্রমীভাবে তিনি সব ছেড়ে যোগ দেন বার্নি স্যান্ডার্সের প্রচারে।জাস্টিস ডেমোক্রেটস এবং এদের মতোই আরও একটি সংগঠন ব্যান্ড নিউ কংগ্রেস, যার সহ প্রতিষ্ঠাতা হলেন সৈকত চক্রবর্তী, তাঁরা একসঙ্গে হাত মিলিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলে প্রার্হী বাছাই শুরু করেন। সৈকতদের সেই সফল প্রচার কর্মসূচিরই একটি মুখ হলেন অ্যালেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও কোর্টেজ। ওই ১২ জনের মধ্যে অ্যালেক্সান্দ্রিয়াই একমাত্র, যিনি নির্বাচিত হয়েছেন মার্কিন কংগ্রেসে। সৈকতই হলেন তাঁর ক্যাম্পেন ম্যানেজার ও চিফ অফ স্টাফ।এ বার পদত্যাগ করতে চলেছেন মার্কিন কংগ্রেসের সর্বকনিষ্ঠা সদস্য আলেজান্দ্রিয়া ওকাসিও কর্তেজের চিফ অব স্টাফ সৈকত চক্রবর্তী। কেন সৈকত চক্রবর্তীকে সরতে হচ্ছে ? প্রথমত, স্পিকার ল্য়ান্সি পেলোসিকে চ্য়ালেঞ্জ করা, দ্বিতীয়ত, মধ্যপন্থী ডেমোক্র্যাটদের প্রতি বর্ণবৈষম্যমবলক মন্তব্য করা। এই অভিযোগ নিয়ে কিছু দিন ধরে তুলকালাম শুরু হয়েছে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে। এ জন্য সৈকত চক্রবর্তী ও ওকাসিও কর্তেজের কমিউনিকেশন ডিরেক্টর করবিন ট্রেন্টকে দলের তরফে তলবও করা হয়।শুক্রবার, সৈকত চক্রবর্তীর পদত্যাগের কথা প্রকাশ্যে আসে। গত জুন মাসেই নিজের দলেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। তার কারণ, টুইটারে সৈকতের একটি পোস্ট। সীমান্ত নিরাপত্তা বিল নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়। আর সেই বিতর্কের আগুন উস্কে দিয়েছিল সৈকত চক্রবর্তীর ওই টুইট। বিলটি সমর্থন করায় কয়েকজন ডেমোক্র্যাট সদস্যেকে তির্যক মন্তব্য করেন সৈকত। তিনি লেখেন, ‘এ বার থেকে নিউ ডেমোক্র্যাট ও ব্লু ডগ কক্যাসদের নিউ সাউদার্ন ডেমোক্র্যাট বলতে হবে।’ আর তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই বিতর্ক চরমে ওঠে। পরে পোস্টটি অবশ্য মুছেও দেয় । এর আগেও, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ছবি আঁকা টি শার্ট পরার জন্যও বিভিন্ন ডানপন্থী দলগুলির আক্রমণের মুখে পড়েন সৈকত। তাঁর সমালোচনা করেন রিপাবলিকানরাও।