বাংলা ও কেরেলা বদে এনপিআর নিয়ে সব রাজ্যই কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে,

আজবাংলা     ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্ট্রার চালু করার জন্য সব রাজ্যই ফের নির্দেশিকা জারি করে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও কেরলেও তা স্থগিত রয়েছে। এনপিআর নিয়ে অবস্থান যে বদলায়নি তা এদিন রানি রাসমনিতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ধর্নামঞ্চ থেকে আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘোষণা করেছেন, ১৭ তারিখ এনপিআর নিয়ে বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ওই বৈঠকে যোগ দেবে না বাংলার সরকার। সরকার ভেঙে দিলে দিক, আমি যাব না। কেরল সরকারও অনড়। তারাও জানিয়েছে, রাজ্যে এনপিআর চালু হতে দেবে না।

সোমবার এনআরসি নিয়ে বৈঠক ডেকেছিল কংগ্রেস। ১৫টি বিরোধী দল সামিল হয়েছিল ওই বৈঠকে। যদিও তৃণমূল, সপা, বসপার মতো দলগুলি অনুপস্থিত থেকেছে। স্বাভাবিকভাবে এনপিআর নিয়ে কংগ্রেসশাসিত রাজ্যগুলি সবুজ সংকেত দেওয়ায় চাপ বাড়বে পশ্চিমবঙ্গ ও কেরল সরকারের উপরে।শুক্রবার এনপিআর নিয়ে দিল্লিতে বৈঠকে সব রাজ্যকেই ডাকা হয়েছে। রেজিস্ট্রার জেনারেল অ্যান্ড সেন্সাস কমিশনার অফ ইন্ডিয়া’র (আরজিসিসিআই) ডাকে বৈঠকে সব রাজ্যের মুখ্যসচিবদের আসতে বলা হয়েছে। সেখানে জনগণনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা। কিন্তু একইসঙ্গে এনপিআর আলোচ্যে রাখা হয়েছে বলেই মমতা যাওয়ার ব্যাপারে বেঁকে বসেছেন। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও করেলও বৈঠকে যাচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, রাজ্যগুলি লিখিতভাবে কোনও আপত্তি জানায়নি।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যস্তরে এনপিআরের প্রশিক্ষণের কাজ বন্ধ রেখেছে। কেন্দ্রকে এ সম্পর্কে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। কেরল সরকার অবশ্য তাদের আপত্তির বিষয়টি জানিয়েছে। কেন্দ্রের নোটিশে বলা হয়েছে, জনগণনার প্রথম পর্ব ও জাতীয় জনসংখ্যা পঞ্জি (এনপিআর)-র তথ্য একই সঙ্গে নেওয়া হবে। ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই কাজ চলবে। সব রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে ৪৫ দিন জনগণনা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করবেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, পুদুচেরি ও লাদাখ বাদে অন্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি তার বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।

এমন সমস্ত আপডেট পেতে লাইক দিন!