গ্রামের পুজো হলেও শহরকে টেক্কা দিতে পারে।

শ্যমপুরের ৩৫ ফুটের প্রতিমা
শ্যমপুরের ৩৫ ফুটের প্রতিমা

সুদীপ সেন আজবাংলা  বাঁকুড়া। সরস্বতী পুজো কে কেন্দ্র করে বাঁকুড়া জেলা জুড়ে চলছে আনন্দ ও উৎসবের মেলবন্ধন। এই মেলবন্ধন কে আরো দৃঢ় করেছে গ্রাম ও শহরের সেতু বন্ধন। যা নানা উৎসবে এই জেলাতে ফুটে ওঠে। মাঝে মাঝেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে শহর কে টেক্কা দেয় গ্রাম। আবার সরস্বতী পুজোয় সেরকমই হয়েছে। শালতোড়া ব্লকের কয়েকটি পুজো তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। উল্লেখ করতেই হবে শ্যাম পুরের স্ববান্ধব ক্লাবের ৩৫ ফুটের স্বরস্বতী প্রতিমার কথা। পুজোরআনুমানিক খরচ ৫৫ হাজার টাকা। এই প্রতিমা পুরো জেলার নজর কেড়েছে। তিলুড়ি ভারত সংঘ আগের বছর এই রকমই বৃহৎ প্রতিমা করে সবার নজর ও প্রশংসা কুড়িয়ে ছিল। সাথে ছিল তাদের সুদৃশ্য মণ্ডপ সজ্জা। এবারেও তাদের মণ্ডপ সজ্জা, আলো ও প্রতিমা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হবে।৭০ হাজার টাকার এই পুজো এলাকাবাসীর কাছে এক পরম পাওনা। নজর কেড়েছে মনো মোহিনী ইনস্টিটিউটের পুজো। প্রতিমায় গতানুগতিকতার বাইরে বেরিয়ে আধুনিকতার ছোঁওয়া। আলোকসজ্জ্বা সম্পূর্ণ ভিন্নতর। যথেষ্টই মানানসই আলোকসজ্জ্বা সম্পূর্ণ পুজোর পরিবেশ টাই বদলে দিয়েছে। শ্যামল স্মৃতি সংঘ, স্টার ক্লাব, অগ্রদূত ক্লাব, আচার্যর্পাড়া, বনফুল ক্লাব, হরিহর সংঘ দুই উচ্চ বিদ্যালয়ের ও অসংখ্য ছোটো , বড়ো সংস্থার সরস্বতী প্রতিমা তি লুড়ির সম্পদ। পুজোকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে উৎসবের পরিবেশ, যা সৌভাতৃত্ববোধ গঠন করতে সহায়তা করছে।