আর সুরক্ষিত নয় প্যাকেটজাত খাবারও, হতে পারে করোনা!

আর সুরক্ষিত নয় প্যাকেটজাত খাবারও, হতে পারে করোনা!
 আজ বাংলা: করোনার ত্রাসে জর্জরিত গোটা বিশ্ব। বিভিন্ন দেশে চলছে লকডাউন। কিন্তু লাগামহীন ভাবে বেড়ে চলেছে করোনার সংক্রমণ। বাড়িতে থেকে বার বার হাত ধোওয়া, মাস্ক পরার মতো যাবতীয় নিয়ম মানার পরও মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। ভ্যাকসিনের আশা দেখালেও এবছর তার আসার বিশেষ সম্ভাবনা নেই। কিন্তু গবেষণা চলছে জোরদার। এমনকী শুরু হয়েছে ট্রায়ালও। আমরা প্রথম দিকে জানতাম শ্বাস প্রশ্বাসের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি ছড়ায় এই ভাইরাস। শুধু এখানেই শেষ নয়, এই ভাইরাসের প্রকোপে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় শ্বাসযন্ত্র। করোনার অন্যতম লক্ষণ হিসেবে বলা হয়েছিল শ্বাসকষ্টের কথা। কিন্তু বর্তমানে ভাইরাস তার প্রকৃতিতে বদল এনেছে। পেটখারাপ, জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া সবই এখন করোনার লক্ষণ। সম্প্রতি বলা হয়েছে বেশ কিছু ফ্রোজেন চিংড়ি মাছের প্যাকেটেও করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। সেখান থেকেই তৈরি হয়েছে নতুন ভয়। এমনকী প্যাকেটজাত হার্বাল পাতাতেও মিলেছে করোনার ভাইরাস। বিজ্ঞানীরা বলছেন প্যাকেটজাত খাবারও ভালো করে গরম করে তবেই খান। সবচেয়ে ভালো ফোটানো খাবার খাওয়া। এছড়াও ঠান্ডা মাছ বা মাংস এড়িয়ে চলুন। স্যামন মাছ এড়িয়ে চলার কথা বলেছেন তাঁরা। সম্প্রতি, চিন এর রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের চিফ এপিডেমিওলজিস্ট বলেছিলেন যে এই ভাইরাস খাবারের পৃষ্ঠের উপরে তিন মাস পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। তবে হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিশেষজ্ঞ স্বীকার করেছেন যে এখন পর্যন্ত দূষিত খাবার গ্রহণের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কোনও প্রমাণ নেই। কোনও রান্নাঘরের কর্মী বা ওয়েটার অসুস্থ অবস্থায় কাজ করতে গিয়ে এবং খাবারটি স্পর্শ করে তবে মাংস এবং মাছের মতো তাজা খাবারগুলির সংক্রমণ হতে পারে। এটি ভাইরাস সংক্রমণ করতে পারে। বিশ্ব 1কলকাতা সংস্থা সমন্বিত গ্লোবাল আউটব্রেক অ্যালার্ট এবং রেসপন্স নেটওয়ার্কের এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে খাবার সংরক্ষণের সময় ভাইরাসগুলি ফ্রোজেন হয়ে যায়। সুতরাং, যদি কোনও ভাইরাস প্যাকিং করার সময় কোনও ভাবে ঢুকে যায় তাহলে তা বেঁচে থাকতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, এটি যত ঠান্ডায় থাকবে এটি দীর্ঘতর স্থায়ী হবে।