চট্টগ্রামের পূজামণ্ডপের তোরণ ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ৪

চট্টগ্রামের পূজামণ্ডপের তোরণ ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ৪

 চট্টগ্রামের Chattogram সাতকানিয়ায় পূজামণ্ডপের তোরণ ভাঙচুর, পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা ও হামলার অভিযোগে করা মামলার আরও চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাত ১০টা থেকে ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে একই মামলায় আরও তিন তরুণকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

সর্বশেষ গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আফজলনগর এলাকার আবদুর রহিম (৫৫), তাঁর ছেলে মোহাম্মদ আরমান (২১), ধর্মপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পাজেরপাড়া এলাকার বোরহান উদ্দিন (২০) এবং সোনাকানিয়া ইউনিয়নের মির্জাখীল কুতুবপাড়া এলাকার সাজ্জাদ মিয়া (২৪)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে জামায়াত-শিবির, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ৭০ থেকে ৮০ জনের একটি দল মিছিল নিয়ে দক্ষিণ কাঞ্চনার জোটপুকুরিয়া বাজার এলাকায় শিব-দুর্গামন্দিরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। পরে তাঁরা পুলিশের দিকে ইটপাটকেল ছুড়ে মারেন। এরপর মিছিলকারীরা শিব-দুর্গামন্দির পূজামণ্ডপের অস্থায়ী একটি তোরণ ভাঙচুর করে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই সাতকানিয়া থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. দুলাল হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।  ওই মামলায় চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির জাফর সাদেক, সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা আবুল ফয়েজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর আহমদ (৪৮), সাতকানিয়া উপজেলা জামায়াতের বর্তমান আমির মাওলানা কামাল উদ্দিন (৪৮),

সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানসহ ৪২ জনের নাম উল্লেখ এবং ৪০ থেকে ৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাতকানিয়া থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন বলেন, কুমিল্লার ঘটনার জেরে উপজেলার একটি পূজামণ্ডপের তোরণ ভাঙচুর, পুলিশের কর্তব্যে বাধা ও ইটপাটকেল ছোড়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলার আরও চারজন আসামিকে গ্রেপ্তারের পর আজ দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।