ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত আসারাম বাপুর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

asaram-bapu
আসারাম

আজবাংলা সাজা অনুসারে আমৃত্যু জেলেই থাকতে হবে তাঁকে। সাজা শুনে আদালত কক্ষেই ডুকরে কেঁদে ফেলেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম। এবার আসারামকে কয়েদিদের পোশাকই পরতে হবে। খেলে হবে জেলের খাবার। অন্যান্য কয়েদিদের মতো আসারামকেও জেলের সমস্ত নিয়ম মেনে চলতে হবে। আসারাম বাপু সহ মোট পাঁচ অভিযুক্ত। বুধবার এই মামলার রায় ঘোষণা করলেন বিচারপতি মধুসুদন শর্মা।

 

আসারামকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। আসারামের উকিল জানিয়েছেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চতর আদালতে যাবেন। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪২ ধারায় এক বছর, ৩৭৬ (৪) ধারায় এক লক্ষ টাকা জরিমানা, ৩৭৬ (ডি) ধারায় আমৃত্য কারাবাস এবং ৫০৬ ধারায় পাঁচ বছরের জেলের সাজা হয়েছে আসারামের। অভিযোগ, ২০১৩-য় উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরের ১৬ বছরের এক কিশোরীকে মানাই গ্রামে নিজের আশ্রমে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে আসারাম। গুজরাতের সুরাতেও আসারাম ও তার ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন দুই বোন। ২০১৩ সালে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে গত চারবছর ধরে জেলেই রয়েছে আসারাম। এদিকে, ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত আর এক স্বঘোষিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিমের শাস্তি ঘোষণার দিন ভক্তদের তাণ্ডবের কথা মাথায় রেখেই আজ কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় জোধপুরকে। রাজস্থান, গুজরাত ও হরিয়ানা, তিন রাজ্যেই নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করা হয়। উত্তরপ্রদেশে নির্যাতিতার বাড়ির বাইরেও মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। আসারাম দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরই নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছিলেন, এতদিনে সুবিচার মিলেছে। লড়াইয়ে যাঁরা পাশে ছিলেন তাঁদের ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন তিনি।