কুমারগঞ্জ থানার এ এস আই গৌতম চক্রবর্তী তাৎক্ষণিক তৎপরতায় বাঁচলো কলেজ ছাত্রীর প্রাণ

মনোজ কুমার সরকার. আজবাংলা কুমারগঞ্জ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে মেয়েটির নাম মনীষা রায়. পিতার নামঃ রনেন রায়. কর্মসূত্রে তিনি বাইরে থাকেন. মা কাজলী রায়. জানা যায় মনীষা পতিরাম কলেজের সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্রী. পড়াশোনার ইচ্ছে থাকায় আজ সেকেন্ড ইয়ারে পরছে।মনীষার মুখ থেকে এমনকি পাড়াপড়শির কথা অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে মনীষার মা তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য নানা রকম ভাবে মানসিক ও শারীরিকঅত্যাচার করতো , কিন্তু মনীষা বলে যে তাকে আর একটা বছর পড়াশোনা করতে দেয়া হোক তারপর বিয়ে করবে, কিন্তু তার মা কাজলী রায় বিয়ে দেওয়ার জন্য তাকে প্রতিনিয়ত নির্যাতন চালাত. এমনকি তাকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে ও বলে সেই অভিমানে মনীষা বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাস ধরে ইছামতী নদীর কাছে এলে মেয়েটির উদাসীন আচরণ দেখে অনুমান করতে পেরে এ এস আই গৌতম চক্রবর্তীর তাৎক্ষণিক তৎপরতা দেখিয়ে মেয়েটিকে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করতে অসহায় হরে মেয়েটি সমস্ত কথা কুমারগঞ্জ থানার এ এস আই গৌতম চক্রবর্তী কে জানায়।এ এস আই গৌতম চক্রবর্তী সেখানকার এক মহিলা ও সিভিক ভলেন্টিয়ার কে নিয়ে থানায় নিয়ে আসে। মেয়ের মাকেও কুমারগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়।থানা থেকে মনীষা কে কোর্ট পাঠানো হয়. বিচারক কুমারগঞ্জ ওসি কে নির্দেশ দেয় মনীষা কে তার বাড়িতে পৌঁছে দেবার। বিচারক এর নির্দেশ মতো এ এস আই গৌতম চক্রবর্তী মনীষা কে তার কুতুব পুরের বাড়িতে পৌঁছে দেয়। আজ পুলিশ এই মানবিকতা জন্য মনীষা হয়তো তার ইচ্ছে পূরণ করতে পারবে।বিশিষ্টজন দের মতে পুলিশ এর মানবিক রূপ আগামীদিনের চলার পথ কে সুদৃড় করবে।